বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মার্চ মাসের বেতন সংক্রান্ত প্রস্তাব এখনো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এ প্রস্তাব আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি কিংবা শেষ দিকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হতে পারে।
বৃহস্পতিবার সকালে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেলের সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার থেকে মার্চ মাসের বেতন বিল জমা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী এই বিল জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া আগামী শনিবার (২৮ মার্চ) পর্যন্ত চলবে। এরপর জমাকৃত বিলগুলো যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
ইএমআইএস সেলের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ঈদের ছুটির আগে ভেলিডেশন রিপোর্ট প্রস্তুত না হওয়ায় বেতন বিল জমা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করতে দেরি হয়েছে। তবে বিলম্ব হলেও দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানোর চেষ্টা চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রতি মাসে বেতন-ভাতার প্রস্তাব প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মাধ্যমে পাঠানো হয়। অনলাইনে বিল জমা দেওয়ার পর তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই করে। এরপর অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বেতনের অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা তাদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে প্রেরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত ও সময়মতো প্রদান নিশ্চিত করতে সরকার ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিল দাখিল ও অনুমোদনের ব্যবস্থা চালু করেছে। এই পদ্ধতি চালুর ফলে বেতন-ভাতা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পুরো কার্যক্রম এখন আগের তুলনায় আরও সহজ ও কার্যকর হয়েছে।
Leave a Reply