শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উত্থাপিত প্রশ্নের ব্রডশিট জবাব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না পাঠালে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি তাদের এমপিও স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে। একই সঙ্গে বর্তমানে যেসব ব্রডশিট জবাব পেন্ডিং রয়েছে, সেগুলো আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সরাসরি পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানোর জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা শাখা থেকে জারি করা এক আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। আদেশটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন শেষে ব্রডশিট জবাব পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দিয়ে থাকে। কিন্তু দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও সেই জবাব পাঠানো হয় না। এই দীর্ঘসূত্রতার কারণে সংশ্লিষ্ট অনেক শিক্ষক-কর্মচারী ইতোমধ্যে অবসরে চলে যান বা মৃত্যুবরণ করেন। ফলে প্রতিবেদনে উল্লিখিত গুরুতর আর্থিক ও প্রশাসনিক আপত্তিগুলোর যথাযথ নিষ্পত্তি করা কঠিন হয়ে পড়ে।
আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ব্রডশিট জবাব দিতে বিলম্ব করাকে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে অবহেলা হিসেবে গণ্য করা হবে। তাই বর্তমানে যেসব ব্রডশিট জবাব এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে, সেগুলো আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সরাসরি পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া আদেশে সতর্ক করে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে ব্যর্থ হলে ‘এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ এর ১৮.১ (খ) ধারা অনুযায়ী সরকারি নির্দেশনা অমান্য করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমপিও স্থগিত বা বাতিল করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply