বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের প্রস্তাব প্রস্তুত করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)–এ জমা দিয়েছে সংস্থাটির এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেল। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় যাচাই বাছাই শেষে এই প্রস্তাব যাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ে তারপর এটি জিও জারি হবে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মাউশির একটি সূত্র জানায়, বুধবার স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের প্রস্তাব মাউশির অর্থ শাখায় পাঠানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলে আগামী ৫ মার্চ অথবা ৮ মার্চের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীরা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন-ভাতা পেতে পারেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশির পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) প্রফেসর মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী বলেন, আজই বেতনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় যত দ্রুত অনুমোদন দেবে, তত দ্রুতই শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাবে বেতনের অর্থ পৌঁছে যাবে।
প্রতি মাসে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা অনলাইনের মাধ্যমে বেতনের বিল দাখিল করেন। এরপর সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই-বাছাই করে মাউশি অর্থ শাখা প্রস্তাব প্রস্তুত করে। পরবর্তীতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে বেতন ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন মিললে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সরাসরি ব্যাংক হিসাবে প্রেরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত ও সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করতে সরকার ডিজিটাল বিল দাখিল ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া চালু করেছে। অনলাইনভিত্তিক এই ব্যবস্থার ফলে বেতন প্রক্রিয়াকরণ এখন আগের তুলনায় বেশি স্বচ্ছ ও দ্রুততর হয়েছে।
শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রত্যাশা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনুমোদন সম্পন্ন হবে এবং মার্চের প্রথম সপ্তাহেই তারা ফেব্রুয়ারি মাসের প্রাপ্য বেতন-ভাতা হাতে পাবেন।
Leave a Reply