শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, একটি জাতির অগ্রগতির জন্য সবার আগে শিক্ষার লক্ষ্য বা ‘প্রায়োরিটি’ সেট করতে হবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষা খাতের বাজেট বরাদ্দ এবং মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সাধারণত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় কালচারাল মাইন্ডের লোকদেরকে। কালচারাল লোকদের শুধু নাচগানি নাটক করা সিনেমার নায়ক হয়। সো কালচার ডেফিনেশন আমাদের আজকে বেসিক জায়গা শিক্ষা। উই ওয়ান্ট টু মিড যে আমরা সবকিছুই আমাদের মত করে সেজন্য আমরা বলছি, যে সবই তো স্টেজে আমরা এখন থেকে শুরুটা করি যে আমরা তারপর আমরা দেখব।
শিক্ষা খাতে বাজেটের অপ্রতুলতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, অতীতে শিক্ষাকে যথাযথভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়নি বলেই জিডিপির ৫ বা ৬ শতাংশের পরিবর্তে বরাদ্দ মাত্র ২ শতাংশে নেমে এসেছে। আমরা আসলে কী চাই, তা আগে আমাদের ঠিক করতে হবে। তারপর আসবে বাজেটের প্রশ্ন।’
তিনি আরও যোগ করেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর এখন শিক্ষার চেয়ে অন্য খাতে বেশি বাজেট দেওয়ার সুযোগ নেই। অতীতের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ১৯৭২ সালে খাদ্যের সংস্থান বা নিরাপত্তার সংকট থাকায় শিক্ষার চেয়ে সেগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। রাষ্ট্রের চিন্তাভাবনাও বদলাতে হবে। বাজেটের আগে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা জরুরি।
গত ১৫ বছরের বিতর্কিত কারিকুলাম ও পাঠ্যবই নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কারিকুলাম নিয়ে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলার সময় হয়নি। কারিকুলাম নিয়ে আলোচনার সুযোগ পরে আসবে; এখন আমাদের প্রধান কাজ হলো শিক্ষার মৌলিক ভিত্তি এবং অগ্রাধিকারগুলো সঠিকভাবে সাজানো।’
এখন দেখা যাক শিক্ষামন্ত্রী এই কথা বাস্তবে কতটুকু প্রতিফলন আমরা দেখতে পাব। নাকি তা শুধু কথার কথা হয়ে থাকবে।
Leave a Reply