মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ প্রকাশিত ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’–এ জানানো হয়েছে যে, এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী শিক্ষকতার পাশাপাশি সাংবাদিকতা বা অন্য কোনো বেতন-ভাতা-সম্মানীভিত্তিক পেশায় যুক্ত থাকতে পারবেন না। অর্থাৎ, তারা একই সঙ্গে একাধিক চাকরি বা আর্থিক লাভজনক পদে নিযুক্ত হতে পারবেন না।
নীতিমালায় আরও বলা হয়, যদি তদন্তে প্রমাণিত হয় যে কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী নিয়ম ভঙ্গ করে অন্য আর্থিক লাভজনক পদে যুক্ত আছেন, তাহলে সরকার তার এমপিও বাতিলসহ প্রয়োজনীয় বিধিমোতাবেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, “আর্থিক লাভজনক পদ” বলতে বোঝানো হয়েছে—
অর্থাৎ শিক্ষকতা ছাড়া অন্য কোনো পেশা থেকে আয় করা যাবে না।
নীতিমালায় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের ‘জ্যেষ্ঠ প্রভাষক’ (Senior Lecturer/ Senior Instructor) পদটি বাতিল করা হয়েছে।
একই সঙ্গে অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য পদের নিয়োগ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা–সংক্রান্ত ধারায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী—
বিনা অনুমতিতে ৬০ দিন বা তার বেশি সময় অনুপস্থিত থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক আর এমপিওভুক্তির জন্য বিবেচিত হবেন না।
এ অবস্থায় ৬০ দিন শেষে তার পদটি শূন্য ঘোষণা করা হবে এবং নিয়ম অনুসারে নতুন নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বেসরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে নতুন বিভাগ বা শাখা খোলার নিয়মও কঠোর করা হয়েছে।
শহর এলাকায়:
মফস্বলে:
এই সংখ্যার কম হলে নতুন শাখা খোলা যাবে না।
Leave a Reply