1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

এমপিও প্রভাষকদের পদোন্নতি, বি.এড ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নতুন নীতিমালায় কিভাবে হবে

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৪৭৯ Time View
এমপিও প্রভাষকদের পদোন্নতি, বি.এড ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নতুন নীতিমালায় কিভাবে হবে

বেসরকারি কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত প্রভাষকদের পদোন্নতি ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। নতুন এমপিও নীতিমালা–২০২৫ অনুযায়ী, এমপিওভুক্তির পর টানা আট বছর সন্তোষজনক চাকরি পূর্ণ হলে প্রভাষকরা সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন। তবে এবার পদোন্নতি কেবল চাকরির সময় পূর্ণ করলেই হবে না; বরং বিভিন্ন মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে মোট ১০০ নম্বরের একটি মূল্যায়নের মাধ্যমে যোগ্যতা নির্ধারণ করা হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা, কর্মদক্ষতা, প্রশিক্ষণ, উপস্থিতি, শৃঙ্খলা, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে অবদান এবং অন্যান্য গুণাবলি এই মূল্যায়নের অংশ হবে। এতে যেসব প্রভাষক বেশি নম্বর অর্জন করতে পারবেন, তারাই আগে পদোন্নতির সুযোগ পাবেন। ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে ০.৫ বা তার বেশি হলে তা পরবর্তী পূর্ণ সংখ্যায় রূপান্তর করা হবে। তবে উল্লেখ্য, এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি দিলেও প্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক পদের সংখ্যা বাড়ানো হবে না, বিদ্যমান কাঠামোর মধ্যেই প্রক্রিয়া চলবে।

যেসব প্রভাষক মূল্যায়ন ভিত্তিক পদ্ধতিতে পদোন্নতি পাবেন না, তারাও সময়ের ভিত্তিতে পদোন্নতির সুযোগ পাবেন। নীতিমালায় বলা হয়েছে, এমপিওভুক্তির দশ বছর পূর্তিতে তারা জাতীয় বেতন স্কেলের গ্রেড–৯ থেকে গ্রেড–৮ এ উন্নীত হবেন। এরপর ধারাবাহিকভাবে ১৬ বছর চাকরি পূর্ণ হলে তারা সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাবেন। অর্থাৎ, নতুন নীতিমালায় দ্রুত পদোন্নতির জন্য মূল্যায়ন ভিত্তিক সুযোগ রাখা হলেও সময়ভিত্তিক পদোন্নতির প্রচলিত পথও বজায় রাখা হয়েছে।

নতুন নীতিমালায় শিক্ষকদের শিক্ষা বিষয়ে ডিগ্রি—যেমন বিএড বা বিএমএড—অর্জনের ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা আরও জোরালো করা হয়েছে। নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের যেসব সহকারী শিক্ষক বা সহকারী মৌলভী শিক্ষায় ডিগ্রিবিহীন অবস্থায় এমপিও পেয়েছেন, তাদের এমপিওভুক্তির পাঁচ বছরের মধ্যে অবশ্যই অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষায় ডিগ্রি নিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ, সরকার অনুমোদিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, ইউজিসি অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান। এই ডিগ্রি অর্জনের পর তারা গ্রেড–১০ এ বেতন সুবিধা পাবেন, তবে এটি উচ্চতর স্কেল হিসেবে গণ্য হবে না। নতুন জনবল কাঠামো কার্যকর হওয়ার আগে যারা শিক্ষায় ডিগ্রিবিহীন ছিলেন, তারাও নীতিমালা প্রবর্তনের পরবর্তী পাঁচ বছরের মধ্যে এ ডিগ্রি অর্জন করতে পারবেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সময়সময় অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের তালিকা হালনাগাদ করে প্রকাশ করবে, যাতে শিক্ষকেরা কোথায় ভর্তি হতে পারবেন সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেন।

প্রতিষ্ঠান প্রধান বা অধ্যক্ষ নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা আরও কঠোর করা হয়েছে। সংশোধিত নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে শিক্ষা জীবনের কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ থাকলে কোনো প্রার্থী প্রতিষ্ঠান প্রধান বা অধ্যক্ষ পদে আবেদন করতে পারবেন না। অর্থাৎ এসএসসি, এইচএসসি, স্নাতক বা স্নাতকোত্তর—যেকোনো পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ থাকলে প্রার্থীকে অযোগ্য বিবেচনা করা হবে। আগের নীতিমালায় তৃতীয় বিভাগ থাকলেও আবেদন করা যেত, কিন্তু এবার সরকারের লক্ষ্য হলো নেতৃত্বের পদে একাডেমিকভাবে যোগ্য ও মানসম্মত ব্যক্তিদের নির্বাচন নিশ্চিত করা।

সমগ্র নীতিমালার উদ্দেশ্য হলো বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, চাকরি মূল্যায়ন এবং পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, মানসম্মততা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা। শিক্ষকতার মানোন্নয়নের জন্য শিক্ষা বিষয়ে ডিগ্রি বাধ্যতামূলক করা, যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতির সুযোগ সৃষ্টি করা এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় দক্ষ নেতৃত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই সংশোধিত নীতিমালার এসব পরিবর্তন আনা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

2 responses to “এমপিও প্রভাষকদের পদোন্নতি, বি.এড ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নতুন নীতিমালায় কিভাবে হবে”

  1. Abdullah Al Mahmud says:

    ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক (জেনারেল)রা যাতে কলেজের অধ্যক্ষ/উপাধ্যক্ষ পদের জন্য আবেদন করতে পারেন তার জন্য জোরদার আবেদন রাখছি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বরাবর।

  2. Biswajit Ray says:

    প্রতিযোগীতার মাধ্যমে যেহেতু হবে সেহেতু অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ইনডেক্স ভুক্ত সকল শিক্ষক কে সুযোগ দেওয়া উচিত। তা না হলে এটি আদালত পর্যন্ত গড়াতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme