1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

বদলি নিয়ে ষড়যন্ত্র অব্যাহত-শেষ পর্যন্ত আসলেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ভাগ্যে কি রয়েছে!

  • Update Time : সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২১৭ Time View
বদলি নিয়ে ষড়যন্ত্র অব্যাহত-শেষ পর্যন্ত আসলেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ভাগ্যে কি রয়েছে!

বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। ওই চিঠির অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ফাইল উত্থাপন করেছে, যা চলতি সপ্তাহের মধ্যেই অনুমোদন পেতে পারে বলে মন্ত্রণালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একটি সংশ্লিষ্ট সূত্র দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানায়, ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ হয়েও এনটিআরসিএর ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশ না পাওয়া বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর জন্য পুনরায় নিয়োগ সুপারিশের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে চলতি বছরের জুন বা ডিসেম্বর পর্যন্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্য পদের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করতে চায় কর্তৃপক্ষ। এই উদ্দেশ্যে তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে আনুষ্ঠানিক সম্মতি চেয়ে চিঠি দিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“এনটিআরসিএর চিঠি আমরা পেয়েছি, অনুমোদনের জন্য ফাইলও উত্থাপিত হয়েছে। জুন অথবা ডিসেম্বর পর্যন্ত যেকোনো একটি সময়কাল চূড়ান্ত করা হবে। অনুমোদন হলে এনটিআরসিএকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।”

শূন্য পদের ব্যবহার নিয়ে মন্ত্রণালয় ও এনটিআরসিএ দ্বিমতে

১৮তম নিবন্ধনধারীদের সুপারিশবঞ্চিতদের জন্য যে শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে—তা কীভাবে ব্যবহৃত হবে, সেটি নিয়ে বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনটিআরসিএর অবস্থান ভিন্ন।

মন্ত্রণালয়ের অবস্থান: শূন্য পদ আগে ব্যবহার হবে বদলি কার্যক্রমে

মন্ত্রণালয় মনে করছে—দেশব্যাপী এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম বহুলদিনের দাবি। বদলি কার্যক্রম শুরু হলে:

  • দূরবর্তী অঞ্চলে কর্মরত শিক্ষকদের ভোগান্তি কমবে
  • প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট অনেকটা স্বাভাবিকভাবে সামঞ্জস্য হবে
  • নতুন নিয়োগের চাপও কমে আসবে

এ কারণে মন্ত্রণালয় বলছে, শূন্য পদের যে তথ্য সংগ্রহ করা হবে তা প্রথমেই বদলি কার্যক্রমে ব্যবহার করা উচিত।

এনটিআরসিএর অবস্থান: আগে সুপারিশবঞ্চিতদের নিয়োগ দিতে হবে

অন্যদিকে এনটিআরসিএ বলছে:

  • ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে উত্তীর্ণ হয়েও অনেক প্রার্থী সুপারিশ পাননি
  • তাদের বয়সজনিত কোনো জটিলতা নেই
  • ১৯তম নিবন্ধন থেকে নতুন নিয়োগপদ্ধতি চালু হবে, ফলে এদের পরবর্তীতে সুপারিশ সম্ভব নয়

এই পরিস্থিতিতে এনটিআরসিএ চায়—সংগ্রহ করা শূন্য পদগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সুপারিশবঞ্চিত ১৮তম নিবন্ধনধারীদের নিয়োগে ব্যবহার করা হোক। তাদের আশঙ্কা, শূন্য পদ বদলির জন্য সংরক্ষণ করা হলে সুপারিশ দেওয়ার সুযোগ সংকুচিত হয়ে যেতে পারে।


সম্ভাব্য জটিলতার আশঙ্কা

শূন্য পদ ব্যবহারে দুই সংস্থার ভিন্ন মনোভাব মাঠপর্যায়ে জটিলতা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তাদের মতে—

  • বদলি কার্যক্রম অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ
  • সুপারিশ প্রক্রিয়াও জটিল ও দীর্ঘ
  • শূন্য পদের সঠিক সংখ্যা জানা না থাকলে কোনো সিদ্ধান্তই দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব নয়

এ ছাড়া এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী সেপ্টেম্বর মাসেই বদলির জন্য শূন্য পদের চাহিদা নেওয়ার কথা ছিল। তা না হওয়ায় কিছু কর্মকর্তা আশঙ্কা করছেন—নীতিমালা লঙ্ঘন হলে বিষয়টি আদালতে যেতে পারে।

একজন মন্ত্রণালয় কর্মকর্তা বলেন,
“নীতিমালা অনুযায়ী বদলির শূন্যপদ সংগ্রহ না করলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে। তাই যে পদগুলোর তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, সেগুলো বদলির জন্য সংরক্ষণ করাই যুক্তিযুক্ত।”

এনটিআরসিএর পাল্টা যুক্তি

এনটিআরসিএর একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন,
“৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে বহু প্রার্থী সুপারিশবঞ্চিত হয়েছেন। তাদের এখন সুপারিশ না করলে ভবিষ্যতে আর সুযোগ থাকবে না। এজন্য ই-রেজিস্ট্রেশন ও ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। তবে মন্ত্রণালয় শূন্য পদ বদলির জন্য রাখতে চাইছে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme