বাংলাদেশে মডেল স্কুল প্রকল্প নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মূলত শিক্ষার মানোন্নয়ন ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্দেশ্যে ২০০৮ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার সারাদেশে ৩১৫টি মডেল স্কুল প্রতিষ্ঠা করে। এগুলোতে কম্পিউটার ল্যাব, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরসহ আধুনিক সুবিধা যুক্ত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে ধাপে ধাপে এসব প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণ শুরু হয়। তবে রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি ও অন্যান্য কারণে ২৭টি যোগ্য প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণের তালিকা থেকে বাদ পড়ে যায়।
সম্প্রতি শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার বঞ্চিত প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে আশ্বাস দিয়েছেন যে, জাতীয়করণ থেকে বাদ পড়া এসব প্রতিষ্ঠানও শিগগিরই বিবেচনায় আনা হবে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিষয়টি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন।
জাতীয়করণ বঞ্চিত মডেল প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, “সরকারের সব শর্ত পূরণ করার পরও আমাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। অথচ বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও ১৩টি নতুন প্রতিষ্ঠানকে শুধুমাত্র উচ্চপর্যায়ের সুপারিশের ভিত্তিতে জাতীয়করণ করা হয়েছে। এতে আমাদের প্রতি বৈষম্য আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।”
প্রতিষ্ঠানগুলোর কেন্দ্রীয় সভাপতি আলমগীর হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ২০১৬ সালে ১১৯টি মডেল স্কুল সরকারিকরণ হলেও স্থানীয় সংসদ সদস্যদের প্রভাবেই ২৭টি স্কুল তালিকা থেকে বাদ পড়ে। তিনি মনে করেন, সাম্প্রতিক সময়ে নতুন ১৩টি স্কুল সরকারিকরণ হওয়া বঞ্চিত প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈষম্যের দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন ইকবালও দ্রুত এ সমস্যার সমাধানে সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
👉 এখন প্রশ্ন উঠছে, শিক্ষার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত এসব বিদ্যালয়কে কবে নাগাদ জাতীয়করণের আওতায় আনা হবে এবং দীর্ঘদিনের অবিচার ও বৈষম্যের অবসান ঘটানো হবে কি না।
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া মডেল হাইস্কুল ও বাদ পড়া প্রতিষ্ঠান সমূহের একটি। তবে বিদ্যালয়টি মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টার তালিকায় নেই।
দুংখজনক