প্রধান উপদেষ্ঠার মার্চিং অর্ডারের আলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের জানুয়ারি ২০২৫ প্রতিবেদন এবং মনিরুজ্জামান মিয়া কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের জন্য স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অনুমোদনের পরও এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন বন্ধে অনৈতিক তৎপরতায় লিপ্ত হয়েছেন কিছু শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা।
মাধ্যমিক স্তর দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় রয়েছে ৯টি বিভাগীয় কার্যালয়, ৬৪টি জেলা শিক্ষা অফিস, ৫১৬টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, ৬৮৬টি সরকারি কলেজ, ৭০৬টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ১০৪টি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) ২০১৪-এর তথ্যমতে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২১,২৩২, যার মধ্যে কলেজ ১,৫১৪। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা যথাক্রমে ২,৯৩,২৮৯ জন এবং ৯০,৬৩,৪২২ জন।
তথ্য অনুযায়ী ৮০% প্রতিষ্ঠানেই মাধ্যমিক স্তরের কর্মকর্তা মাত্র ৩ জন এবং কলেজে ৭৮ জন। ফলে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীর জন্য কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষা কাঠামোর গতিশীলতা আনার জন্য মাধ্যমিক স্তরের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস জরুরি।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আয়োজিত জাতীয় কর্মশালার (‘Impact Analysis on Education Governance and Management’) সুপারিশের ভিত্তিতে বিয়াম ফাউন্ডেশন গবেষণা ও পরামর্শ সেবা কেন্দ্র (বিএফআরসিএসসি) একটি প্রতিবেদনে শিক্ষাপ্রশাসন ব্যবস্থার পুনর্গঠন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে দুটি পৃথক অধিদপ্তরে ভাগ করার পরামর্শ দিয়েছে।
সূত্র- ডেল্টা টাইমস
Leave a Reply