1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

শিক্ষকদের স্বার্থ রক্ষা, নাকি নেতাদের স্বার্থ রক্ষা?

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৯৯ Time View
শিক্ষকদের স্বার্থ রক্ষা, নাকি নেতাদের স্বার্থ রক্ষা?

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি হলেন শিক্ষকরা। বিশেষ করে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দেশের এক বিশাল অংশের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তারা নানা ধরনের অবহেলা, বঞ্চনা ও বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন। তাদের বেতন-ভাতা, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা কিংবা অবসরকালীন সুবিধা—এসব বিষয় নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম চলছেই। অথচ প্রশ্ন থেকে যায়—এসব আন্দোলন ও দাবিদাওয়ার প্রকৃত উপকারভোগী হচ্ছেন কি সত্যিই শিক্ষকরা, নাকি নেতাদের একটি বিশেষ অংশ? বিশেষ করে যখন দেখা যায় আন্দোলনে আসেন চলমান পেশায় যে সকল শিক্ষক নিয়োজিত রয়েছেন তারা কিন্তু আন্দোলনের ডাক দেন বা নেতৃ্ত্ব দেন যারা এই পেশা থেকে অবসরে গিয়েছেন তারা। একজন দায়িত্ববান ও বর্তমানে যিনি শিক্ষকতায় পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন তিনি তার অধিকার আদায়ের জন্য প্রয়োজনে আন্দোলন করবেন আন্দোলনে নেতৃত্ব দিবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নেতাদের ভিড়ে প্রকৃতপক্ষে যাদের সাংগাঠনিক দক্ষতা রয়েছে তারা সামনে থেকে আন্দোলনকে বেগবান করার সুযোগ পান না। কারণ একবার যারা নেতৃত্ব বাটন হাতে পান তারা আমৃত অথাৎ যতদিন তার মৃত্যু না হয় ততদিন তিনি তার দায়িত্ব থেকে সরতে চান না। কিন্তু প্রশ্ন হলো কেন? কি এমন মধু রয়েছে যে সেই মধুর লোভে মৌচাক থেকে সড়তে মন চায় না। একজন অবসর প্রাপ্ত পেশাজীবি কখনও কোন সংগঠনের নেতা হওয়ার মত শারীরিক ও মানসিক ভাবে উপযুক্ত হতে পারে না। বড়জোড় যেটা করা যেতে পারে তাহলো যদি প্রকৃতপক্ষেই উপযুক্ত মানুষ হয় তাহলে তাকে উপদেষ্টা হিসাবে রাখা যেতে পারে। কিন্তু আমাদের এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেলায় দেখা যায় উল্টো। এখানে দেখা যাচ্ছে নেতৃত্বের প্রধান বাটন আগলে রেখে সেটাকে তার উপরে উঠার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করার জন্য চেষ্টায় রত। সেখানে দেখা যায় অসহায় শিক্ষকদের মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাদের তার হাতিয়ার হিসাবে দেখানোয় ব্যস্ত। আর তাদের একাজে সহযোগিতা করার জন্য সর্বদা ব্যস্ত থাকে আমাদের এই পেশার কিছু পাচাটা স্বভাবের শিক্ষক কর্মচারী আছে তারা।

শিক্ষক আন্দোলনের নামে প্রায়শই কিছু নেতা আলোচনায় আসেন। তারা সংবাদ সম্মেলন করেন, মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন এবং দাবি উপস্থাপন করেন। কিন্তু বারবার দেখা যায়, দাবিগুলো কার্যকর না হলেও এই নেতারা ব্যক্তিগতভাবে সুবিধাভোগী হয়ে ওঠেন। অনেক ক্ষেত্রে তারা রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত স্বার্থে সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন, আবার কখনো ব্যক্তিগত পদ-পদবি কিংবা আর্থিক সুবিধা আদায়ে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তখন প্রশ্ন জাগে—তাদের আসল লক্ষ্য কি শিক্ষকদের স্বার্থ রক্ষা, নাকি নিজেদের অবস্থান মজবুত করা?

শিক্ষকদের অধিকার আদায়ের জন্য বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়। কিন্তু দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রেই আন্দোলনকে ব্যবহার করা হয় শুধু সরকারের কাছে নিজেদের দর-কষাকষির অস্ত্র হিসেবে। আন্দোলনের ফলাফলে শিক্ষকরা কাঙ্ক্ষিত সুবিধা পান না, বরং নেতারা পরবর্তীতে রাজনৈতিক দলে পদ, কমিটি কিংবা বিদেশ সফরের সুযোগ লাভ করেন।

বেশ কয়েকবার দেখা গেছে, বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি, চিকিৎসা ভাতা বা শিক্ষকদের কল্যাণে নানা প্রস্তাবনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়। কিন্তু সেসব প্রস্তাবনা অর্থ মন্ত্রণালয় কিংবা বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই থেমে যায়। প্রশ্ন জাগে—এ প্রস্তাবনা কি শুধু শিক্ষকদের চোখে ধুলো দেওয়ার কৌশল ছিল? কারণ অনেক সময় নেতারা ফলো-আপ না করে ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখেন। কারণ নেতাগিরি দেখাতে হলে সমস্যার সমাধান করা যাবে না। সমস্যার সমাধান করলে সেখান থেকে তারা ব্যাক্তিগত স্বার্থলাভ করতে পারবে না। শিক্ষকদের আন্দোলনের চাপ প্রয়োগ করে তাদের ব্যাক্তিগত সুযোগ সুবিধা আদায় করতে পারবে না।

কিন্তু এভাবে আর কতদিন? এভাবে আর কতদিন আমরা সাধারণ শিক্ষক কর্মচারীরা এভাবে অন্যদের উপরে উঠার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার হতে থাকব। কতদিন আমরা বিভিন্ন জনের দাবার গুটির চাল হিসাবে ব্যবহার হব। তবে এখানে একটা কথা বলে রাখা ভাল সেটা হল আমাদের যে একাবারে দায় নেয় তা কিন্তু নয়। আমরা যদি এখনও আমাদের অধিকার আদায়ে সচেতন না হই। কোনটা ভাল আর কোনটা মন্দ তার তফাৎ না বুঝে চলার চেষ্টা করি তাহলে আমাদের অধিকার আদায় হবে কি করে। আমরা নিজেরা দেখছি যে, সুবিধাভোগীরা আমাদের ব্যবহার করছে তারপরও আমরা তাদের দল ভারি করছি। একবার ভাবুনতো আমরা যদি সুবিধাভোগীদের দলে না যাই তাহলে কিন্তু তারা তাদের অন্যায়ভাবে আদায়কৃত সুবিধা থেকে আপনা আপনি বঞ্চিত হবে তখন তারা নিজেরাই তাদের পথ আলাদা করে ফেলবে।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বা দীর্ঘদিন মাঠে না থাকা কেউ যখন নেতৃত্বে আসেন, তখন তিনি সাধারণ শিক্ষকদের বাস্তব সংকট থেকে দূরে সরে যান। তারা কখনও চায় না যে, তারা যে সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে সে সকল সুযোগ সুবিধা যেন অন্যরা পায়। তাদের জন্য শিক্ষকদের সমস্যা আর প্রধান বিষয় থাকে না, বরং কিভাবে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে প্রভাবশালী হওয়া যায়, তা-ই হয়ে ওঠে মূল লক্ষ্য। ফলে শিক্ষক সমাজের প্রত্যাশা বারবার ব্যর্থতার মুখে পড়ে। কারণ তারা সত্যিকার অর্থে চায়ই না যে চলমান দায়িত্বরত শিক্ষকদের কোন প্রত্যাশার প্রাপ্তি ঘটুক। কারা তারা সবসময় চায় যে কোন মুল্যে তাদের নিজেদের স্বার্থ লাভ করতে।

যখন মাঠপর্যায়ের শিক্ষকরা প্রকৃত দাবিতে সংগঠিত হয়ে আন্দোলন শুরু করেন, তখন অনেকে নেতৃত্বের ভেতর থেকেই তা ভাঙার চেষ্টা করেন। সরকার বা প্রশাসনের সাথে গোপন সমঝোতায় গিয়ে আন্দোলনকে দুর্বল করে দেন। এর ফলে সাধারণ শিক্ষকরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হন, তেমনি শিক্ষক সমাজের ঐক্যও বারবার ভেঙে যায়। সরকারকে বা কর্তৃপক্ষকে আন্দোলনের দুর্বল দিকগুলো নিজে থেকে দেখিয়ে দেয়। আবার দেখা যায় অনেক চাটুকার সংগঠনকে সাথে নিয়ে আন্দোলনের বিকল্প আন্দোলনের ডাক দেয়। যাতে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি অন্যদিকে সড়িয়ে নেওয়া যায়। যে কোন মুল্যে শিক্ষকদের ন্যার্য দাবী থেকে বঞ্চিত করাই তাদের আসল লক্ষ্য।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা দীর্ঘদিন থেকে যে কোন প্রকার সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত তাদের ন্যায্য দাবীর পক্ষে এতদিন কেউ দাঁড়ানো তো দুরের কথা একটি বিবৃতি প্রকাশ করেনি। আজ যখন এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা তাদের ন্যার্য দাবি আদায়ের বিষয়ে আশার আলো দেখতে পাচ্ছে ঠিক তখনই ঐ সকল স্বার্থান্বেষী মহল আবার উঠে পড়ে লেগেছে কিভাবে শিক্ষক কর্মচারীদের ”বাড়া ভাতা ছাই” প্রয়োগ করা যায়। কারণ তারা ভালো করে জানে যে, যদি কোনভাবে শিক্ষক কর্মচারীরা তাদের সুবিধা পেয়ে যায় তাহলে তো তাদের সকল দাদাগিরি শেষ। তাই তারা এখন নতুন ফন্দি এঁটেছেন তারা এখন লোক দেখানো আন্দোলনের ফন্দি ফিকির করছে যার কারণ কয়েকটি যেমন ১ম কারণ তারা চাইছে যে কোনভাবেই যেন সাধারণ এই শিক্ষক কর্মচারীদের আন্দোলন সফল না হয়। ২য় তারা বোঝাতে চাইছে বা বোঝাবে যে, আমাদের আন্দোলন এর প্রভাবেই শিক্ষক কর্মচারীদে দাবীগুলো পূরণ হয়েছে। সেটাই যদি না হবে তাহলে কেন তারা সাধারণ শিক্ষক কর্মচারীদের সাথে আন্দোলনের অংশ হতে পারল না। সাধারণ শিক্ষক কর্মচারীদের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে যদি আন্দোলনে অংশ নিত তাহলে তো আন্দোলনের মাঠ আরও শক্তিশালী হতো এবং দাবীকৃত অধিকারগুলো আরও সহজেই আদায়ের পথ সুগম হতো।

এই স্বার্থপর নেতৃত্বের কারণে যা ঘটবে—

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অনেক দাবি বছরের পর বছর ঝুলে থাকবে যার ফলে সাধারণ শিক্ষক কর্মচারীরা তাদের প্রাপ্ত অধিকার আদায়ের কাছে গিয়েও বঞ্চিত হবে বা তাদের অধিকার গুলো আদায়ের রাস্তা আরও প্রলম্বিত হবে।
  • শিক্ষক সমাজ সরকারের চোখে শক্তিশালী একটি চাপ সৃষ্টিকারী সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠতে ব্যর্থ হবে বা হাস্যকর একটি পেশাজীবি হিসাবে চিহ্নিত হবে। উদ্ধতন মহল তখন চোখে আঙ্গুল দিয়ে বলবে তোমরা শিক্ষক কর্মচারীরা আগে ঠিক করো তোমরা কি চাও কিভাবে চাও।
  • এভাবে নেতৃত্বের টাপপোড়নে তরুণ শিক্ষকরা হতাশ হয়ে পড়েন এবং মনে করেন নেতৃত্ব পরিবর্তন ছাড়া তাদের ভাগ্য বদলাবে না। বিধায় তখন তারা নেতৃত্বে প্রতি আস্থা হারায় এবং একসময় পেশার প্রতিও তাদের শ্রদ্ধাবোধ কমতে থাকে।
  • শিক্ষকেরা এভাবে একসময়ে সঠিক নেতা চিনতে ভুল করে বসে।

পরিশেষে যে কথা বলতে চাই তা হলো, জাগো শিক্ষক সমাজ জাগো এভাবে আর কতদিন তোমরা তোমাদের অচেতন অবস্থার কারণে নিজেরা নিজেদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। এখন নতুন সময় এসেছে এই সময়ে চোখ মুখ বন্ধ করে থাকতে নেই। এখনও যদি চোখ এবং মুখ বন্ধ করে নিজেকে লুকিয়ে রাখ তাহলে একদিন নিজের আফসোসে নিজেরো পুড়ে মড়বে কেউ তোমাদের দুংখে এগিয়ে আসবে না। এখনও যদি তোমরা তোমাদের অধিকার আদায়ে সচেতন না হও তাহলে তোমরা তোমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে কি জবাব দিবে তারা তোমাদের কাছে চোখে আঙ্গুল দিয়ে জবাব চাইবে। যে জাতি নিজের ভাগ্য পরিবর্তনে সচেষ্ট নয়, তার ভাগ্য সৃষ্টিকর্তাও পরিবর্তন করেন না।

তাই বলছি আগামী দিনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের অধিকার আদায়ে যে কর্মসূচী দেওয়া আছে সেখান আমরা দল মত নির্বিশেষে সকলেই এক হয়ে মাঠে নামব। এটাই হউক আমাদের একমাত্র চাওয়া এটাই হউক আমাদের একমাত্র পণ। সেখানে আমরা দেখব না কে কোন দলের কে কোন মতের। সেখানে আমাদের একটাই পরিচয় আমরা শিক্ষক আমরা এমপিওভুক্ত শিক্ষক আমারা এদেশের এক অবহেলিত পেশাজীবি। আমরা চাই আমাদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটাতে। আমরা আর কারও মিথ্যা ছলনায় ভুলতে চাই না।

সেই কারণে আমাদের সামনে একটাই চাওয়া হবে সেটা হলো যে কোন মুল্যে আমাদের আগামী দিনের ১৪, ১৫ ও ১৬ তারিখের কর্মসূচী সফল করা। যেভাবে আমরা বিগত ১৩ তারিখের সমাবেশ সফল করেছিলাম। যে কারণে আমাদের সামনে নতুন দিগন্তের সুচনা হয়েছে। আবারও যদি আমরা আমাদের কর্মসুচীগুলো ঠিক ভাবে ও জোরালোভাবে পালন করতে পারি তাহলে আমাদের অধিকার আদায়ের মোটামুটি দ্বারপ্রান্তে চলে আসব। যদি আমরা প্রাণপণে আবার ঝাপিয়ে পড়তে পারি তাহলে আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme