1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

EFT এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বিল করবেন যেভাবে

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৫৪৫ Time View
EFT এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বিল করবেন যেভাবে

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন প্রদানের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরেই বৈষম্যের অভিযোগ ছিল। সেই বৈষম্য দূরীকরণের ক্ষেত্রে এক প্রকার আশার আলো হয়ে আসে ইলেকট্রনিক ফান্ডস ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতি। কারণ, এটি চালুর মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন প্রদানে স্বচ্ছতা ও সঠিক সময়ে অর্থ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা আসবে—এমন প্রত্যাশা করেছিলেন সকলে। কিন্তু বাস্তবে প্রশ্ন থেকেই যায়, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ইএফটি আসলেই কতটা প্রকৃত অর্থে ইএফটি? কারণ, খোদ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকেই স্পষ্ট করে বলা হয়েছে—এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ইএফটি কোনোভাবেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ইএফটির মতো নয়। অর্থাৎ দুটি পদ্ধতির মধ্যে প্রকৃত কার্যপ্রণালী ও কার্যকারিতায় যথেষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান।

তবে সেই বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা অন্য একদিন করা যেতে পারে। আজকের আলোচ্য বিষয় হলো—গত জানুয়ারি মাস থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ইএফটি কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। কিন্তু কার্যকর হওয়ার পর থেকে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে আসছিল মাউশির ইএমআইএস (EMIS) সেল। ফলে প্রতিটি মাসে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো ভূমিকা ছিল না। সব কাজই করতে হতো ইএমআইএস সেলের কর্মকর্তাদের।

এই প্রক্রিয়ার কারণে ইএমআইএস সেলের উপর কাজের চাপ দিন দিন বেড়েই চলছিল। এর ফলশ্রুতিতে প্রায় প্রতিটি মাসেই শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন প্রদানে দেরি হচ্ছিল। বেতন প্রাপ্তিতে এই অযৌক্তিক বিলম্ব শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছিল।

তবে এর মধ্যেই এক ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। সম্প্রতি মাউশির ইএমআইএস সেল নতুন একটি সুবিধা চালু করেছে। এখন থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসিক বেতনের বিল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের মাধ্যমেই ‘সাবমিট’ করতে হবে। অর্থাৎ, প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের হাতে প্রথমবারের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হলো।

এই নতুন ব্যবস্থার সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে ভবিষ্যতে বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে। তবে এখন মূল প্রশ্ন হলো—এই ইএফটির বেতন বিল প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা কীভাবে সাবমিট করবেন? সেই প্রক্রিয়াটিই আমাদের জানা প্রয়োজন।

আগস্ট-২০২৫ মাস হতে এমপিও এর অর্থ EFT-তে প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক মাস ভিত্তিক এমপিওভুক্ত জনবলের Bill Submit করার ব্যবস্থা অনলাইনে যুক্ত করা হয়েছে। এক্ষেত্রে, প্রতিষ্ঠান প্রধান তাঁর প্রতিষ্ঠানের এমপিও সংক্রান্ত কাজের জন্য ব্যবহৃত আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে EMIS সিস্টেমের MPO-EFT মডিউলে লগ-ইন করে Bill Submit করতে হবে। এক্ষেত্রে, সংযুক্ত নির্দেশিকা অনুসারে তাঁর প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য আলাদা আলাদাভাবে বিধিমোতাবেক প্রাপ্য এমপিও এর অর্থ সঠিকভাবে নির্ধারণ করে বিল সাবমিট করবেন। দাখিলকৃত বিলের একটি কপি ডাউনলোড করে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি স্বাক্ষর করে নিজ প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক দাখিলকৃত তথ্য অনুসারে এমপিও এর অর্থ EFT-তে শিক্ষক-কর্মচারীদের স্ব-স্ব ব্যাংক হিসাব নম্বরে প্রেরণ করা হবে।

প্রতিষ্ঠানের এমপিও তালিকায় বিদ্যমান শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে কেউ মৃত্যুবরণ বা পদত্যাগ করলে প্রতিষ্ঠান প্রধান সংশ্লিষ্ট মাসে বিধিমোতাবেক তাঁর প্রাপ্যতা নির্ধারণ করে বিল সাবমিট করবেন। এছাড়া, সাময়িক বরখাস্ত, অনুমোদনহীন অনুপস্থিতি বা অন্য কোনো কারণে বিধিমোতাবেক কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর আংশিক বা সম্পূর্ণ বেতন কর্তন/বন্ধ করার প্রয়োজন হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান Bill Submit অপশনে তা উল্লেখ করবেন। শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও এর অর্থ EFT-তে প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের দাখিলকৃত তথ্যই চুড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য প্রদানের কারণে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও এর অর্থ EFT-তে প্রেরিত না হলে তার দায়ভার প্রতিষ্ঠান প্রধানের উপর বর্তাবে। উল্লেখ্য, প্রতি মাসে যথাসময়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান অনলাইনে Bill Submit না করলে শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও এর অর্থ EFT-তে প্রেরণ করা হবে না। এমতাবস্থায়, আগামী ২৩/০৮/২০২৫ তারিখের মধ্যে আগস্ট-২০২৫ মাসের এমপিও এর বিল সাবমিট করার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

আগস্ট-২০২৫ মাস হতে এমপিও এর অর্থ EFT-তে প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক বিল সাবমিট করার ব্যবস্থা অনলাইনে সংযোজন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধান তাঁর প্রতিষ্ঠানের এমপিও সংক্রান্ত কাজের জন্য ব্যবহৃত ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের EMIS সিস্টেমের MPO EFT মডিউলে লগ-ইন করলে নিম্নরূপ একটি পেজ পাবেন:

উপরের চিত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধান Bill Submit অপশনে ক্লিক করে যে মাসের বিল সাবমিট করতে চান, সে অনুসারে অর্থ বছর (Fiscal Year), মাস, ধরন এবং প্রতিষ্ঠানের এমপিওকোড নির্বাচন করবেন। সঠিকভাবে উপরোক্ত তথ্য নির্বাচন করলে নির্বাচিত এমপিও কোডের অনুকূলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য নিম্নরূপ লোড হবে:

উপরোক্ত তালিকায় প্রদর্শিত প্রত্যেক শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য বিল সাবমিট করতে হবে। সেক্ষেত্রে তালিকার শিক্ষক-কর্মচারীর নামের বাম পাশের সর্বশেষ কলামে চোখ বা ভিউ চিহ্নিত স্থানে ক্লিক করলে ঐ শিক্ষকের বিস্তারিত তথ্য নিম্নরূপ প্রদর্শিত হবে:

চিত্রের উপরের অংশে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীর নাম, পদবি, বিষয়, জন্ম তারিখ, বর্তমান মূল বেতনসহ ব্যাংকের তথ্য প্রদর্শিত হবে। চিত্রের নিচের “বিদ্যমান” অংশে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীর ঐ মাসের এমপিও এর বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত পূর্ণ মাসের টাকার হিসাব প্রদর্শিত হবে। সেখান থেকে প্রতিষ্ঠান প্রধান সংশ্লিষ্ট জনবলের বিধিমোতাবেক প্রাপ্যতা নিম্নরূপে নির্ধারন করবেন সেখানে ঐ শিক্ষক কর্মচারী যে কোন কারণে আংশিক বা পূর্ণ মাসের মাসের বেতন পেতে পারেন প্রাপ্যতা অনুসারে সঠিক অপশন সিলেক্ট করবেন। যদি সম্পুর্ণ পেমেন্ট সিলেক্ট করেন তাহলে ঐ মাসের পূর্ণ বেতন পাশের দাবীকৃত ঘরে আপনাআপনি চলে যাবে কোন হিসাব নিকাশ করতে হবে না।

অর্থপ্রদানের অবস্থা” অংশে “সম্পূর্ণ পেমেন্ট” অপশন সিলেক্ট করলে “বিদ্যমান” অংশের টাকার হিসাব “দাবিকৃত” অংশে স্থানান্তরিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারী পূর্ণ মাসের এমপিও এর অর্থ প্রাপ্য হবেন মর্মে বিবেচিত হবেন। দাবীকৃত অংশে তার কোন টাকার অংক প্রদর্শিত হবে না।

অর্থপ্রদানের অবস্থা” অংশে “আংশিক পেমেন্ট” সিলেক্ট করলে প্রতিষ্ঠান প্রধান সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারী ঐ মাসের “বিদ্যমান” অংশে প্রদর্শিত টাকার পরিমান কমাতে পারবেন। সেক্ষেত্রে “মন্তব্য” অপশনে আংশিক পেমেন্ট প্রদানের কারণ নির্বাচন করতে হবে।

ক) “মন্তব্য” অপশনে “পদত্যাগ”, “মৃত” বা “স্থগিত” অপশন সিলেক্ট করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারী ঐ মাসে বিধিমোতাবেক কতদিনের বেতন পাবেন তা “প্রাপ্য দিনের সংখ্যা” অপশনে উল্লেখ করা যাবে। উল্লেখ্য যে, প্রাপ্ত দিনের সংখ্যার স্থলে সংশ্লিষ্ট মাসের মোট দিনের সংখ্যা প্রদর্শিত হবে। সেখানে মোট যে পরিমাণ দিনের সে বেতন প্রাপ্য সেই দিন লিখে দিলে স্বয়ক্রিয়ভাবে দাবীকৃত অংশে তার প্রাপ্য বেতন প্রদর্শিত হবে। মনে রাখবেন এই অপশন তখনই সিলেক্ট করবেন যখন শিক্ষক কর্মচারীগণ সেই অপশনের উপযোগী। কোন প্রকার ভুল ভ্রান্তি জনিত কারণে যেন এই অপশন সিলেক্ট না হয়। আবারও বলছি “মন্তব্য” অপশনে শুধুমাত্র “পদত্যাগ”, “মৃত” বা “স্থগিত” অপশন সিলেক্ট করলে দিনের সংখ্যা পরিমার্জন (Edit) করা যাবে। সেক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত দিনের সংখ্যা অনুসারে এমপিও এর অর্থের হিসাব “দাবিকৃত” অংশে প্রদর্শিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীকে EFT-তে সেই পরিমান অর্থ প্রেরণ করা হবে।

খ) “মন্তব্য” অপশনে “সাময়িক বরখাস্ত” সিলেক্ট করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারী ঐ মাসে বিধিমোতাবেক খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন এবং “দাবিকৃত” অংশে তা প্রদর্শিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারী EFT-তে খোরপোষ ভাতা প্রাপ্ত হবেন। খোরপোষ ভাতা কিন্তু বিধিমোতাবেক প্রাপ্য হবেন। সেই ক্ষেত্রে সরকারী বিধিমোতাবেক প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। মন্তব্য অপশনে ”সাময়িক বরখাস্ত” সিলেক্ট করলেই সফটওয়্যারে প্রাপ্ত হিসাব দেখাবে। যে হিসাব দেখাবে সেটাই তার প্রাপ্য বেতন সেখানে কারও কিছু করার নাই।

তবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে প্রতিষ্ঠানের আবেদন বা অন্য কোনো কারণে খোরপোষ ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহিত হলে অনলাইন Bill Submit অপশনে “বিদ্যমান” অংশে পূর্ণ বেতন প্রদর্শিত না হয়ে প্রাপ্য খোরপোষ ভাতা প্রদর্শিত হবে। সেক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান থেকে “সম্পূর্ণ পেমেন্ট” অপশন সিলেক্ট করলেও তিনি “বিদ্যমান” অংশে প্রদর্শিত খোরপোষ ভাতা EFT-তে প্রাপ্ত হবেন। এ ধরনের জনবলের জন্য আলাদাভাবে আংশিক পেমেন্ট অপশন সিলেক্ট করার প্রয়োজন নেই।

বিধিমোতাবেক কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর প্রাপ্য বকেয়া অনলাইনে বা সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে অনুমোদিত হলে “বিদ্যমান” এবং “দাবিকৃত” অংশে তা প্রদর্শিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারী ঐ মাসের এমপিও এর অর্থের সাথে সেই বকেয়া EFT-তে পাবেন। এই বিষয়ে প্রতিষ্ঠান প্রদানের বা প্র্রতিষ্ঠানের কিছু করার নেই।

এভাবে প্রত্যেক শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য বিধিমোতাবেক প্রাপ্য এমপিও এর অর্থ Bill Submit অপশনে নির্ধারণ করে আলাদা আলাদাভাবে সেভ করতে হবে। যে সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন, কিন্তু EFT এর তথ্য ভুল থাকার কারণে বা আপডেট না থাকার কারণে এমপিও এর অর্থ পাচ্ছেন না, তাদের জন্যও বিধিমোতাবেক Bill Submit করতে হবে। EFT এর তথ্য সংশোধন হওয়া সাপেক্ষে তাদের ব্যাংক হিসাবে এমপিও এর অর্থ প্রেরণ করা হবে।

প্রতিষ্ঠানের এমপিও তালিকায় প্রদর্শিত সকল জনবলের Bill Submit অপশনের তথ্য সেভ করার পর প্রতিষ্ঠান প্রধান পরবর্তী কর্যক্রমের জন্য বিলের একটি কপি ডাউনলোড করে প্রয়োজনে সকলের প্রাপ্যতা মোতাবেক ভাল করে নীরিক্ষা পূর্বক Bill Submit এর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। মনে রাখবেন Bill Submit করার পর আর কিছু করার থাকবে না। যে ভাবে Bill Submit করবেন সেভাবেই উক্ত শিক্ষক কর্মচারী ঐ মাসের বেতন প্রাপ্য হইবে। তাই ভালভাবে চেক করে সকল ভুলভ্রান্ত্রি এড়িয়ে নির্ভুলভাবে Bill Submit এর ব্যবস্থা করবেন। Bill Submit করবেন এবং একটি কপি Download করে যথাস্থানে তাঁর এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির স্বাক্ষর করে প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করবেন।

বিল সাবমিট ও গ্রহণ করার জন্য নীচের মত একটি উইন্ডো প্রদর্শিত হবে সেখানে বামদিকের নীচের কোনায় ডাউনলোড ও সাবমিট অপশন আছে প্রয়োজনীয় সর্তকতা সহ বিল সাবমিট করতে পারবেন। প্রয়োজনে সাবমিটের পূর্বে ডাউনলোড করে দেখে নিন যদি কোন সমস্যা ধরা পড়ে আবার সংশোধন করুন তাপপর সাবমিট করুন। সাবমিট করার পর কিন্তু আর কোনপ্রকার সংশোধন করা যাবে না।

বিল সাবমিট করার পর অথবা পূর্বে বিল ডাউলোড করলে নিচের মত বিলটি ডাউনলোড বিল আকারে প্রদর্শিত হবে-

কোনো প্রতিষ্ঠানে একাধিক এমপিও কোড থাকলে প্রত্যেক এমপিও কোডের জন্য আলাদাভাবে Bill Submit করতে হবে।

প্রতি মাসে যথাসময়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান অনলাইনে Bill Submit না করলে শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও এর অর্থ EFT-তে প্রেরণ করা হবে না। তাই সঠিক সময়ে Bill Submit করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যত্ন সহকারে। এটি তেমন কোন জটিল কাজ নয় অত্যন্ত সহজ একটি বিষয় তবে অসেচতনতা অনেক বড় বিপদে ফেলতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme