1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ইএফটি বিষয়ে নতুন আপডেট

  • Update Time : বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ২১১৩ Time View
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ইএফটি বিষয়ে নতুন আপডেট

বাংলাদেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের পেশাগত জীবনে অনেক আশা ও ভরসার প্রতীক হয়ে এসেছিল ইএফটি। প্রায় সকল শিক্ষক কর্মচারীই আশান্বিত হয়েছিল যে, এই বুঝি ইএফটিতে বেতন প্রদান শুরু হলেই বেতন প্রাপ্যতার যে, বৈষম্য সেখান হতে হয়তবা রেহাই পাওয়া যাবে। কিন্তু বাস্তবে সেই আশা দুরাশায় পরিণত হতে খুব একটা বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয় নি এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের। কেন আমি দুরাশা কথা বলছি দেখেন এখন কিন্তু অনেক এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা ইএফটির আওতায় আসতে পারেনি। আদৌ পারবেন কিনা সেটাও তারা জানে না। এই সকল নানাবিধ সমস্যার মধ্যে চলছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বহুল প্রতিক্ষিত ইএফটি। এখনও আমাদের ইএফটি সেই পুরোনো অ্যানালগ সিষ্টেমের মত খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে কোন মাসে ঠিক মতো দিলেও পরের মাসে আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে। একটা উপকার হয়েছে ইএফটি আসায় তা হলো ম্যানেজিং কমিটির সেই কিছু ‍কিছু আধাশিক্ষিত অর্ধশিক্ষিত সভাপতির বেতন বিলের স্বাক্ষর থেকে রেহাই পাওয়া গিয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেখানে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি)-এর মাধ্যমে সরাসরি বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন, সেখানে দীর্ঘদিন ধরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের বেতন পাচ্ছিলেন রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের মাধ্যমে ‘অ্যানালগ’ পদ্ধতিতে। এ কারণে শিক্ষকরা প্রায়ই বেতন তুলতে গিয়ে দীর্ঘ লাইন, বিলম্ব ও নানা ধরনের হয়রানির মুখোমুখি হতেন। তবে আশার বিষয়, বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও ধীরে ধীরে ইএফটি সুবিধার আওতায় আসতে শুরু করেছেন, যা একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তবে এই সুবিধা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে কিছু জটিলতা এখনো রয়ে গেছে। অনেক শিক্ষক-কর্মচারী এখনও সময়মতো ইএফটি সুবিধা পাচ্ছেন না। এর পেছনে অন্যতম কারণ হলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ইএমআইএস (EMIS) সেলে কর্মরত অস্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বে অবহেলা এবং উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের গাফিলতি। ফলে এই অব্যবস্থাপনা দূর করা না গেলে শিক্ষকরা কাঙ্ক্ষিত সুফল থেকে বঞ্চিত হতে থাকবেন। বিষয়টি দ্রুত সমাধানে যথাযথ প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

এর আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা জুন মাসের বেতন পেয়েছেন ১৫ জুলাইয়ের পর। তবে আশার কথা এই যে, জলাই মাসের বেতন কিন্তু বেশ সময়মতো আগষ্টের ৪ তারিখে আমরা পেয়েছি। যাই হোক এইভাবেই চলছে আমাদের ইএফটি।

এখন আজ যে কারণে এই কথাগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করা তা হলো যে সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর ব্যাংক হিসাব, রাইটিং নম্বর, জন্ম তারিখ বা অন্য কোনো তথ্য ভুল থাকার কারণে ডিসেম্বর-২০২৪ মাস থেকে নিয়মিত EFT-তে এমপিও এর অর্থ পাননি। পরবর্তীতে তথ্য সংশোধন হওয়ায় শেষের দিকের কিছু বেতন-বোনাস পেয়েছেন, তাদের অবশিষ্ট বেতন-বোনাস দ্রুতই EFT-তে প্রেরণ করা হবে। এ জন্য কোনো আবেদন বা কোথাও যোগাযোগের প্রয়োজন নেই। আপনারা অযথা হতাশ হয়ে যে কারও কাছে গিয়ে অযথা অনাকাঙ্খিত হয়রানির শিকার হবেন না।

এর পূর্বে ইএফটিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীগণ যেভাবে ইএফটির আওতাভুক্ত হয়ে বেতন পেয়েছেন তার মধ্যে রয়েছে-

  • জুলাই মাসে ১ম ধাপে মোট ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৯০৭ জন শিক্ষক ও কর্মচারীর বেতন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে স্কুল পর্যায়ে রয়েছেন ২ লাখ ৯১ হাজার ৫১৮ জন এবং কলেজ পর্যায়ে রয়েছেন ৮৭ হাজার ৩৮৯ জন।
  • জুনের ১ম ধাপে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ২৪১ জন শিক্ষক-কর্মচারী; এর মধ্যে ২ লাখ ৯১ হাজার ৮০৫ জন স্কুল ও ৮৭ হাজার ৪৩৬ জন কলেজের।
  • এপ্রিলের ১ম ধাপে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৯০৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী; এর মধ্যে ২ লাখ ৯১ হাজার ৫১৮ জন স্কুল ও ৮৭ হাজার ৩৮৯ জন কলেজের।
  • ডিসেম্বরের ৭ম ধাপে ১ হাজার ২৪২ জন; এর মধ্যে স্কুলের ৮৬৯ ও কলেজের ৩৭৩ জন।
  • জানুয়ারির ৪র্থ ধাপে ১ হাজার ৫৫৬ জন; এর মধ্যে ১ হাজার ১১৬ জন স্কুল ও ৪৪০ জন কলেজের।
  • ফেব্রুয়ারির ৩য় ধাপে (আংশিক) ১ হাজার ৫৭৩ জন; এর মধ্যে ১ হাজার ১২৭ জন স্কুল ও ৪৪৬ জন কলেজের।
  • মার্চের ২য় ধাপে (আংশিক) একই সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী অর্থাৎ ১ হাজার ৫৭৩ জন।

উল্লেখ্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) ব্যবস্থায় বেতন-ভাতা পেয়ে থাকলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের মাধ্যমে ‘অ্যানালগ’ পদ্ধতিতে অর্থ উত্তোলন করতেন, যা তাদের জন্য ভোগান্তির কারণ ছিল। এখন ধীরে ধীরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও ইএফটি সুবিধার আওতায় আসছেন। এখন ধীরে ধীরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও ইএফটি সুবিধার আওতায় আসছেন। তবে এখানেও রয়েছে হতাশার বিষয় কেননা মাউশি থেকে পরিস্কার ভাবে জানানো হয়েছে যে, সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ইএফটিও ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের এক নয়। সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ইএফটির জন্য প্রতি মাসে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হয় না। কিন্তু এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য বাস্তবায়িত ইএফটিতে প্রতিমাসে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হয় বিধায় অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হয়। আর একারণেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীগণ ইএফটির পরিপূর্ণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এখন ভবিষ্যতে এই সমস্যা কতটুকু দুর করতে পারবে মাউশি তা দেখার বিষয়। তবে মাউশি যাই বলুক না কেন মাউশি যদি ইচ্ছা করে তাহলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন মাসের শুরুতেই অর্থ্যাৎ ১-৪ তারিখের মধ্যে দেওয়া সম্ভব কেননা অতীতে মাউশি তা করে দেখিয়েছে। তবে এখনও ইএফটি বলতে যে ধরনের সুবিধা বোঝায় তা কিন্তু মাউশি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সদ্বিচ্ছার অভাবে তা এখনও এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের কাছে সোনার হরিণের ন্যায়।

এখন আজ যে কারণে এই কথাগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করা তা হলো যে সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর ব্যাংক হিসাব, রাইটিং নম্বর, জন্ম তারিখ বা অন্য কোনো তথ্য ভুল থাকার কারণে ডিসেম্বর-২০২৪ মাস থেকে নিয়মিত EFT-তে এমপিও এর অর্থ পাননি। পরবর্তীতে তথ্য সংশোধন হওয়ায় শেষের দিকের কিছু বেতন-বোনাস পেয়েছেন, তাদের অবশিষ্ট বেতন-বোনাস দ্রুতই EFT-তে প্রেরণ করা হবে। এ জন্য কোনো আবেদন বা কোথাও যোগাযোগের প্রয়োজন নেই। আপনারা অযথা হতাশ হয়ে যে কারও কাছে গিয়ে অযথা অনাকাঙ্খিত হয়রানির শিকার হবেন না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme