1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

MPO শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন কি ইএফটিতে প্রেরণ করা হয়!

  • Update Time : শুক্রবার, ৪ জুলাই, ২০২৫
  • ৬৫৩ Time View
MPO শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন কি ইএফটিতে প্রেরণ করা হয়!

বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রদান করা হয় হয় ইএফটির মাধ্যমে। ইএফটি যার পুরো নাম ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (Electronic Fund Transfer) এটি একটি কম্পিউটার-ভিত্তিক পদ্ধতি যা এক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। 

ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (EFT) বলতে সাধারণত যা বোঝায়:

  • টাকা স্থানান্তরের একটি ডিজিটাল প্রক্রিয়া, যা কাগজবিহীন। 
  • এই পদ্ধতিতে, ব্যাংক একাউন্ট থেকে অন্য ব্যাংক একাউন্টে অর্থ স্থানান্তরের জন্য কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়। 
  • ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ বা স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহৃত হয়। 
  • এটি মূলত ব্যাংক এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লেনদেন দ্রুত এবং সহজে সম্পন্ন করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। 

বাংলাদেশে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ইএফটি কিভাবে পরিচালিত হয়-

বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন-ভাতা E.F.T. (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) এর মাধ্যমে প্রদানের জন্য প্রথমে শিক্ষকদের অনলাইন ডাটা এন্ট্রি করতে হয়। এরপর, ব্যাংক, স্কুল, শিক্ষা অফিস থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে E.F.T. সিস্টেমে এন্ট্রি করা হয়। সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরাসরি শিক্ষকদের ব্যাংক হিসাবে বেতন জমা হয়ে যায়। 

E.F.T. (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) এর মাধ্যমে বেতন প্রদানের প্রক্রিয়াটি নিম্নরূপ:

১. অনলাইন ডাটা এন্ট্রি: শিক্ষকদের E.F.T. ফর্মের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য যেমন- নাম, আইডি, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি অনলাইনে এন্ট্রি করতে হয়। 

২. তথ্য যাচাইকরণ: এন্ট্রি করা তথ্যের সঠিকতা যাচাই করা হয়। 

৩. বেতন বিল দাখিল: শিক্ষকদের বেতন বিল E.F.T. সিস্টেমে অনলাইনে দাখিল করা হয়। 

৪. অর্থ স্থানান্তর: সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরাসরি শিক্ষকদের ব্যাংক হিসাবে বেতন জমা হয়ে যায়। 

এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ইএফটি কিভাবে পরিচালিত হচ্ছে-
১।প্রথমে মাউশি বেতনের প্রস্তাব পাঠায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে তার ইচ্ছা মত যে মাসে যখন মনে চায় সেখানে মাসের ১ম বা শেষ বলে কোন কথা নেই।
২। শিক্ষা মন্ত্রণালয় পাঠায় অর্থমন্ত্রণালয়ের কাছে।
৩।অর্থমন্ত্রণালয় পাঠায় বাংলাদেশ ব্যাংকে।
৪। বাংলাদেশ ব্যাংক পাঠায় আইবাস++ এর নিকট।

৫. আইবাস++ এরপর দেখেশুনে বুঝে সোনালী, জনতা,অগ্রনী নামক ব্যাংকে শিক্ষকদের ব্যাংক হিসাব নম্বরে পাঠায়।
এভাবেই চলছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ইএফটি। প্রতি মাসে শুধু আশ্বাস আর আশ্বাস যে, আগামী মাস থেকে আর সমস্যা হবে না। আগামী মাস হতে শিক্ষক কর্মচারীগণ তাদের বেতনের টাকা সঠিক সময়ে তাদের ব্যাংক হিসাব নম্বরে পেযে যাবে। কিন্তু আবার নতুন মাস এলে সেই আগের অবস্থা। ইএফটির শুরু থেকে শোন গেল যে, প্রতিষ্ঠানের ইএফটি ড্যাশবোর্ডে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ তাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন বিল সাবমিট করবেন। এখন পর্যন্ত সেই অপশন চালু করা হয়নি কোন এক অজানা কারণে। মুল কথা হলো মাউশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রদানের এই ক্ষমতা কোনভাবেই হাতছাড়া করতে চাইছে না। যার কারণে ইএফটি চালু হওয়ার পরও তারা এপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন সেই নামে ইএফটি কিন্তু বাস্তবে সেই পূর্বের অ্যানালগ মাধ্যমেই প্রদান করছে। পূর্বের নিয়মের সাথে বর্তমান নিয়মের পার্থক্য কতটুকু বলেন তো। আগে প্রতি প্রতিষ্ঠান থেকে বিল ব্যাংকে জমা দেওয়া লাগত এখন তা লাগে না এটা ছাড়া তো আর কোন পার্থক্য নাই।

তাহলে এ ব্যবস্থাকে ইএফটি কিভাবে বলব। আসলে মাউশি আমাদের সাথে ইএফটি নিয়ে নাটক শুরু করেছে। কারণ পৃথিবীর কোন দেশে ইএফটি এভাবে পরিচালিত হয় না। তাই এ বিষয়ে মাউশির এখনই উচিত সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার মাধ্যমে শিক্ষকদের বে

প্রস্তাব
পাঠাই মাসের শেষে।এটা আরো
৮/১০ আগে পাঠালে কি হয়?
নাকি শিক্ষকদেরকে কেবল অবহেলা। তাহলে ই এফ টি করে কার লাভ? অন্যান্য পেশায় ত আর এভাবে প্রস্তাব পাঠাতে হয় না মনে হয়? মনে কিছু করবেন না।মনের আক্ষেপে এ লেখা।ধন্যবাদ। কুম্ভকর্ণদের ঘুম ভাঙ্গবে তো?

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme