1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

ঈদের আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের এপ্রিল, মে মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা নিয়ে যা জানাল মাউশি।

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫
  • ৪৫৪৩ Time View
ঈদের আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের এপ্রিল, মে মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা নিয়ে যা জানাল মাউশি।

এমপিওভুক্ত চার লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন অনিশ্চিত: মাউশির অদক্ষতায় চরম দুর্ভোগ

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের অদক্ষতা ও জনবল সংকটের কারণে এপ্রিল মাসের বেতন পাননি দেশের এমপিওভুক্ত চার লাখের বেশি শিক্ষক ও কর্মচারী। অনেকেই গত দুই থেকে চার মাস ধরে বেতন থেকে বঞ্চিত। এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতন ও সামান্য ভাতা পান, যা সময়মতো না পাওয়ায় তাঁদের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কবে এই বেতন মিলবে, সে বিষয়ে মাউশির পক্ষ থেকে কোনো নিশ্চয়তা দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি আসন্ন ঈদুল আজহার আগেই এপ্রিল ও মে মাসের বেতন এবং উৎসব ভাতা মিলবে কি না, তা নিয়েও গভীর শঙ্কা রয়েছে।

মাউশির একাধিক পরিচালক ও উপপরিচালক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বেতন কবে দেওয়া যাবে, সে বিষয়ে তাঁরাও নিশ্চিত নন। মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আজাদ খান এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। জানা গেছে, বেতন-ভাতা সংক্রান্ত কাজের দায়িত্বে থাকা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেলের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট খন্দকার আজিজুর রহমান অসুস্থ। তাঁর অনুপস্থিতিতে কাজ অচল হয়ে আছে, কারণ বিকল্প কেউ নেই। ফলে শিক্ষকদের ড্যাশবোর্ডেও আগের মতো তথ্য দেখা যাচ্ছে না, যা তাঁদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

মাউশি সূত্রে জানা গেছে, ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) পদ্ধতিতে বেতন প্রদানের জটিলতা নিরসনে মাউশি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা একাধিক বৈঠক করলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। ইএমআইএস সেলে শুধুমাত্র একজন ব্যক্তি এই জটিল কাজটি জানেন, ফলে তাঁকে ছাড়া বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না।

ভুক্তভোগী শিক্ষকরা বলছেন, সরকারের অন্যান্য দপ্তরের মতো মাউশি চাইলে অন্য সংস্থা বা অভিজ্ঞ আইটি বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নিতে পারত। দেশে দক্ষ জনবল থাকলেও তা কাজে লাগানো হয়নি, যা অদূরদর্শিতারই প্রমাণ।

গত মার্চে প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক ইএফটির মাধ্যমে বেতন পেয়েছেন। কেউ অবসর, মৃত্যু বা চাকরি ত্যাগ করলে তাঁদের বেতন স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত হওয়ার কথা। তাই বাকি শিক্ষকরা এপ্রিল মাসের বেতন না পাওয়ায় আরও বিস্ময় তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা যথাসময়ে বেতন পেলেও বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা দিনের পর দিন ভোগান্তিতে পড়ছেন।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন প্রক্রিয়া অত্যন্ত দীর্ঘ। মাউশি থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় হয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়, চিফ অ্যাকাউন্টস অফিস এবং ব্যাংকে প্রক্রিয়া শেষ হয়। আগে এসব অর্থ ‘অ্যানালগ’ পদ্ধতিতে বিতরণ হতো, যা ভোগান্তির কারণ ছিল। সেই প্রেক্ষিতে ইএফটি চালু করা হয়, কিন্তু মাউশির দক্ষ জনবল না থাকায় সেই পদ্ধতিও এখন নতুন সংকট তৈরি করেছে।

এ ছাড়া অনেক শিক্ষক-কর্মচারীর এনআইডি, এমপিও শিট, ব্যাংক হিসাব, জন্মতারিখ বা শিক্ষাগত সনদের সঙ্গে সামান্য তথ্য বিভ্রান্তির কারণে তাঁদের বেতন আটকে আছে। এদের অনেকে সংশোধিত তথ্য জমা দিলেও দীর্ঘদিন ধরে বেতন পাননি।

মাউশির প্রোগ্রামার মো. জহির উদ্দিন জানিয়েছেন, কাজ এখনো শেষ হয়নি তবে শিগগিরই শেষ হবে বলে আশা করছেন। যদিও কর্মকর্তারা বলছেন, কাজ শেষ হলেও শিক্ষকদের বেতন পৌঁছাতে আরও চার-পাঁচ দিন সময় লাগে। এ অবস্থায় এপ্রিলের বেতন মে মাসের শেষ সপ্তাহেও চলে যেতে পারে।

মাউশির অব্যবস্থাপনার ফলে এখন শিক্ষক-কর্মচারীরা নির্ভর করে আছেন ভাগ্যের উপর। অনেকেই অভিযোগ করছেন, মাউশির কিছু কর্মকর্তার আচরণ এমন যে মনে হয়, এটি তাঁদের পারিবারিক সম্পত্তি। তাই ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, দায়বদ্ধতা নেই বললেই চলে। ধরে নিলাম একজন খুব গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু তিনি তো আর এদেশের একমাত্র আইটি বিশেষজ্ঞ নয়। যদি তিনি একমাত্র হয় তাহলে কি একজনের উপর নির্ভরশীলতা দেখিয়ে এতবড় একটা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কতটুকু যুক্তিযুক্ত।

পরিশেষে প্রশ্ন থেকে যায়—যেখানে দেশের প্রশাসন প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয়েও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে, সেখানে মাউশির মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানে বছরের পর বছর এমন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা কীভাবে সরকার চোখ বুঁজে সহ্য করে যাচ্ছে? সরকার কি সত্যিই এই চিত্র জানে না, নাকি জেনেও উপেক্ষা করছে?

Please Share This Post in Your Social Media

One response to “ঈদের আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের এপ্রিল, মে মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা নিয়ে যা জানাল মাউশি।”

  1. Md.Sadek miah says:

    বেতন নিয়মিত হওয়া উচিত।বেতন নিয়মিত না হলে শিক্ষকগন চলবেন কিভাবে? এরকম কাজ যদি আওয়ামী দালালরা করে থাকে।তাহলে এদের ব্যাপারে কঠোর হতে হবে।তাদের বেতন ত এক তারিখ হয়।আর স্কুল- কলেজ- মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের বর্ধিত ঈদ বোনাসের প্রজ্ঞাপন দ্রুত জারি করতে হবে।অন্যতায় এরা ফ্যাসিবাদের দোষর,,নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এর সদস্য বলে বিবেচিত হবে।সরকার কে বেকায়দায় ফেলতে এমন কাজ তারা করছে বলে ধরে নেয়া হবে।তাই be alert

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme