এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের এপ্রিল মাসের বেতন দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিশোধে আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেল। এপ্রিলের শুরুতেই যাতে শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন তুলতে পারেন, সে লক্ষ্যেই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
বুধবার ইএমআইএস সেলের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট খন্দকার আজিজুর রহমান জানান, “এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই বেতন প্রদানের জন্য মার্চ মাসের মধ্যেই প্রস্তাব পাঠানোর চেষ্টা চলছে। এতে করে সময়মতো বেতন ছাড় করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।”
ইএমআইএস সূত্র জানায়, মৃত্যু, অবসর ও বদলি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। এজন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছ থেকে প্রকৃত শিক্ষক-কর্মচারীর তালিকা নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
মাউশির এক কর্মকর্তা জানান, “বেতনের প্রস্তাব পাঠাতে গিয়ে কিছু প্রশাসনিক জটিলতা দেখা দিয়েছে। তবে বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সমাধানে কাজ করছে ইএমআইএস সেল। সব ঠিক থাকলে মে মাসের ৮ তারিখের মধ্যে এপ্রিল মাসের বেতন পেতে পারেন শিক্ষকরা।”
এর আগে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা অ্যানালগ পদ্ধতিতে আটটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মাধ্যমে বিতরণ করা হতো, যা ছিল সময়সাপেক্ষ ও জটিল। এই সমস্যা দূর করতে ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর, বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ইএফটি (EFT) চালুর ঘোষণা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
প্রথমে ২০৯ জন, পরে পর্যায়ক্রমে কয়েক ধাপে প্রায় তিন লাখ শিক্ষক-কর্মচারী ইএফটি পদ্ধতিতে বেতন-ভাতা পেতে শুরু করেন। সর্বশেষ মার্চ মাসের বেতন ও বৈশাখী ভাতা বুধবার থেকে দেওয়া শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ইএমআইএস সেল।
এখন দেখা যাক দ্রুত বলতে কত দ্রুত সে কথা রাখে মাউশি। কারণ ইতিপূর্বে দেখা গিয়েছে যে, চেষ্টার কোন শেষ ছিল না মাউশির তারপরও শিক্ষক কর্মচারীরা বেতন পেতে পেতে এক মাসের বেতন অন্য মাসে বা মাসের শেষে। উৎসব ভাতা পাওয়া গেছে উৎসব শেষে। সবকিছুর আগে যে বিষয় নিয়ে কাজ করতে হবে মাউশি তথার মাউশির বেতন প্রদানের সাথে জড়িত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের তাহলো আন্তরিকতা, মানবিকতা ও পেশাদারিত্ব।
[…] […]
[…] […]