বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত পৌনে চার লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীর এপ্রিল মাসের বেতন এখনো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পায়নি। ফলে চলতি সপ্তাহে তাদের এপ্রিল মাসের বেতন-ভাতা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানা গেছে।
বুধবার (৬ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, শিক্ষক-কর্মচারীদের এপ্রিল মাসের বেতন ছাড়ের জন্য আগে সরকারি আদেশ (জিও) জারি করা আবশ্যক। এই জিও জারি হওয়ার পরই মাউশির এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেল বেতনের তথ্য আইবাসে (iBAS++) পাঠায়। এরপর আইবাসে অনুমোদন সম্পন্ন হলে মাউশির অর্থ শাখা তা চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসে প্রেরণ করে থাকে। কিন্তু জিও এখনো জারি না হওয়ায় বুধবার পর্যন্ত কোনো পর্যায়ের কার্যক্রমই এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণে চলতি সপ্তাহে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পাওয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে তারা এপ্রিল মাসের বেতন-ভাতা পেতে পারেন।
এ বিষয়ে মাউশির পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) প্রফেসর মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এখনো জিও জারি করা হয়নি। জিও জারি না হওয়ায় পরবর্তী কোনো ধাপের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া যাচ্ছে না। তিনি আরও জানান, যদি আগামীকাল জিও জারি হয়, তবে সেদিনই বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোতে বেতন পাঠানোর চেষ্টা করা হবে।
সূত্র অনুযায়ী, প্রতি মাসে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানরা অনলাইনের মাধ্যমে পাঠিয়ে থাকেন। অনলাইন বিল দাখিলের পর তা যাচাই-বাছাই করা হয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বেতন ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের পরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ব্যাংকে প্রেরণ করে।
উল্লেখ্য, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত ও স্বচ্ছভাবে প্রদান নিশ্চিত করতে সরকার বর্তমানে ডিজিটাল বিল দাখিল ও অনুমোদন ব্যবস্থা চালু করেছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বেতন-ভাতা প্রক্রিয়াকরণ আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
মাউশি, শিক্ষা মন্ত্রনালয় এসব জায়গায় তো কোনো মূর্খ লোক বড় বড় চেয়ারে বসে নেই। সবাই উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত। সবার বিবেক অতি উচ্চ মার্গের।।
আমার সহজ সরল জিগ্যাসা হলো আগে সাজু গংরা আমাদের এই বেতন দেরিতে দিয়ে এর লভ্যাংশ লুটেপুটে খেতো। তারা তো এখন নেই। তাহলে এখন কি নব্য সাজু গংদের আবির্ভাব হয়েছে ???
না হয়ে থাকলে সমস্যা টা কোথায় ???
কেন ইচ্ছাকৃতভাবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজকে ইচ্ছাকৃত দেরীতে বেতন দিয়ে কষ্ট দেওয়া হয়????