1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

জাল সনদধারী অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা যে প্রক্রিয়া শুরু করেছে মাউশি

  • Update Time : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ২৪৮ Time View
শিক্ষা বোর্ড

বহু বছর ধরে জাল সনদ ব্যবহার করে শিক্ষকতা করে আসা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব শিক্ষক রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে যে অর্থ গ্রহণ করেছেন, তা ফেরত নেওয়ার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে। দেশের শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন পোটাল সহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে ধারাবাহিকভাবে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে, যেখানে জাল সনদধারী শিক্ষকদের তালিকাও তুলে ধরা হয়েছে। এসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জাল শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ৪৮৭ জন জাল শিক্ষকের কাছে প্রাথমিকভাবে লিখিত জবাব চাওয়া হয়েছে। কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-এ জবাব দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার এ সংক্রান্ত পৃথক চিঠি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার সব আঞ্চলিক উপপরিচালক এবং সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা শাখা থেকে ৪৭১ জন জাল ও ভুয়া সনদধারী শিক্ষকের তালিকাসহ একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। ওই চিঠিতে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এর জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৫’ অনুসারে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো তালিকাভুক্ত ৪৭১ জন শিক্ষক-কর্মচারীর (যাদের মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪০২ জন, কলেজ পর্যায়ের ৬৪ জন এবং কারিগরি পর্যায়ের ৫ জন) বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ব্যবস্থা গ্রহণের পর বিষয়টি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগকে অবহিত করার কথাও বলা হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রেরিত মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪০২ জন জাল ও ভুয়া সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীর সংযুক্ত তালিকায় যাদের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তাদের প্রত্যেককে ‘জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ এর ১৮.১ (ঙ) ধারা অনুযায়ী কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—সে বিষয়ে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে জবাব দাখিল করতে হবে।

অন্য একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা শাখা থেকে ৮৫ জন জাল শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্রধারীর তালিকাসহ আরেকটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক যাচাই-বাছাই শেষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৮৫ জন শিক্ষকের প্রত্যয়নপত্র রেকর্ডপত্র অনুযায়ী জাল হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। এই ৮৫ জনের মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক রয়েছেন ৭৫ জন।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, তালিকাভুক্ত এসব জাল ও ভুয়া প্রত্যয়নপত্রধারী শিক্ষকদের এমপিও বাতিলসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে নেওয়া অর্থ আদায় এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিষয়টি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রেরিত ৮৫ জন জাল শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্রধারীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত মাধ্যমিক পর্যায়ের ৭৫ জন শিক্ষকের প্রতিও একই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সংযুক্ত তালিকায় যাদের নাম রয়েছে, তাদের ‘জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ এর ১৮.১ (ঙ) ধারা অনুযায়ী কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়েছে। কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—সে বিষয়ে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে জবাব দাখিল করতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme