বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত প্রায় পৌনে চার লাখেরও বেশি শিক্ষক-কর্মচারীর এপ্রিল মাসের বেতন-ভাতা অনুমোদনের প্রক্রিয়া আজ সম্পন্ন হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। শুধু অনুমোদনেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকবে না; একই সঙ্গে বেতন-ভাতার প্রস্তাবটি চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসে পাঠানোর প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী, যিনি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-এর পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জানান, এপ্রিল মাসের বেতন-ভাতা অনুমোদনের কাজ আজই শেষ হতে পারে। এরপর অনুমোদিত বিলটি আইবাস সিস্টেমে ‘শো’ বা পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। আইবাসে যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হলে সেটি চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসে প্রেরণ করা হবে। সেখানে থেকে অর্থ ছাড় করা হলে তা বাংলাদেশ ব্যাংক-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোতে পৌঁছে যাবে। এরপরই শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের এপ্রিল মাসের বেতন-ভাতা উত্তোলন করতে পারবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রতি মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের প্রস্তাব তৈরি করে অনলাইনে দাখিল করেন। এই অনলাইন বিল জমা দেওয়ার পর তা বিভিন্ন ধাপে যাচাই-বাছাই করা হয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়-এর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বেতন-ভাতার অর্থ ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠিয়ে থাকে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত ও সময়মতো প্রদানের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিল দাখিল ও অনুমোদনের ব্যবস্থা চালু করেছে। এই ডিজিটাল প্রক্রিয়া চালুর ফলে পুরো ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বেতন-ভাতা প্রক্রিয়াকরণ আগের তুলনায় আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।
Leave a Reply