বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রতিষ্ঠানপ্রধান এবং কর্মচারীদের জন্য আবেদনের মাধ্যমে বদলির কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। তবে সংশোধিত নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রয়োজন মনে করলে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও কর্মচারীদের বদলি করতে পারবে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানায়, শিক্ষকদের জন্য প্রণীত সংশোধিত বদলি নীতিমালা ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে এবং এতে একটি নির্দিষ্ট ধারায় সরকারকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও কর্মচারীদের বদলি করা সম্ভব হবে।
এদিকে, আগামীকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ১০টায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে বদলি সফটওয়্যার উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) তাদের আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠাবে। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। মাউশি এ কার্যক্রম ১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নিয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানোর জন্য চিঠি প্রস্তুত করা হয়েছে এবং তা আগামী সপ্তাহেই পাঠানো হতে পারে।
জানা যায়, পূর্বে শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তিগুলোতে শিক্ষকদের আবেদনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সুযোগ ছিল। বিশেষ করে, এনটিআরসিএর প্রথম থেকে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা এই সুবিধা পেয়েছিলেন। কিন্তু চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ সুযোগ বন্ধ করে দেয়।
পরবর্তীতে শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে বদলি প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেই ধারাবাহিকতায় একটি বদলি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। বর্তমানে নীতিমালাটি পুনরায় সংশোধন করা হয়েছে এবং আগামী সপ্তাহে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে বলে মাউশির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
Leave a Reply