1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

পাঠ্যবইয়ের চাহিদায় জালিয়াতির বিষয় যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

  • Update Time : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২২ Time View
শিক্ষামন্ত্রী ও পাঠ্যবনই

নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই মুদ্রণ ও বিতরণ কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরেই অসাধু চক্রের যোগসাজশে চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত বই দেখানো এবং জালিয়াতির অভিযোগ উঠে আসছে। এই অনিয়ম প্রতিরোধে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য বইয়ের চাহিদা নির্ধারণে এবার শুধুমাত্র কাগুজে হিসাবের ওপর নির্ভর না করে সরেজমিন যাচাই-বাছাই শুরু করেছে। মাঠ পর্যায়ের প্রাথমিক তদন্তেই একটি উপজেলার চাহিদা নিরূপণে প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য পূর্বে চাহিদা দেখানো হয়েছিল ৭ হাজার ১৯৫টি বই। কিন্তু বাস্তব যাচাই-বাছাই শেষে এই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৯০০টিতে। একইভাবে সপ্তম শ্রেণির ক্ষেত্রে আগে দেখানো হয়েছিল ৬ হাজার ৮০০টি বই, যা পরে সংশোধিত হয়ে ৫ হাজার ৫০০টিতে নেমে আসে—এখানে পার্থক্য ১ হাজার ৩০০টি। অষ্টম শ্রেণির জন্য আগের চাহিদা ছিল ৫ হাজার ৯৬৫টি, যা যাচাইয়ের পর কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৮১০টিতে, অর্থাৎ পার্থক্য ১ হাজার ১৫৫টি। নবম শ্রেণির ক্ষেত্রে পূর্বের চাহিদা ছিল ৪ হাজার ৯৩৫টি, যা সংশোধনের পর দাঁড়ায় ৪ হাজার ৪৮০টি—এখানে পার্থক্য ৪৫৫টি বই। সব মিলিয়ে পূর্বে পাঠানো মোট চাহিদা ছিল ২৪ হাজার ৮৯৫টি, যা যাচাইয়ের পর কমে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৬৯০টিতে। অর্থাৎ মোট ৪ হাজার ২০৫টি বইয়ের অতিরিক্ত হিসাব ধরা পড়ে।

একই ধরনের অসঙ্গতি দেখা গেছে ইবতেদায়ি স্তরেও। প্রথম শ্রেণির জন্য আগে চাহিদা দেখানো হয়েছিল ১ হাজার ৩৪০টি বই, যা পরে সংশোধিত হয়ে ১ হাজারে নেমে আসে—পার্থক্য ৩৪০টি। দ্বিতীয় শ্রেণির ক্ষেত্রে পূর্বের চাহিদা ১ হাজার ৩৪০টি থেকে কমে দাঁড়ায় ৯০০টিতে, পার্থক্য ৪৪০টি। তৃতীয় শ্রেণির জন্য আগের ১ হাজার ৩৫০টি চাহিদা কমে দাঁড়ায় ৯০০টিতে—এখানে পার্থক্য ৩৫০টি। চতুর্থ শ্রেণির ক্ষেত্রেও একইভাবে ১ হাজার ৩৫০টি থেকে ৯০০টিতে নেমে আসে, পার্থক্য ৩৫০টি। পঞ্চম শ্রেণির জন্য আগে দেখানো হয়েছিল ১ হাজার ২০০টি বই, যা পরে সংশোধিত হয়ে দাঁড়ায় ৮৫০টিতে—পার্থক্য ৩৫০টি। সব মিলিয়ে ইবতেদায়ি স্তরে পূর্বে পাঠানো মোট চাহিদা ছিল ৬ হাজার ৫৮০টি, যা যাচাই শেষে কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫৫০টিতে। ফলে এখানে ২ হাজার ৩০টি বইয়ের অতিরিক্ত হিসাব ধরা পড়ে।

দাখিল স্তরেও একই চিত্র পাওয়া গেছে। ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য আগে চাহিদা দেখানো হয়েছিল ১ হাজার ৪০০টি বই, যা পরে সংশোধিত হয়ে দাঁড়ায় ৮৫০টিতে—পার্থক্য ৫৫০টি। সপ্তম শ্রেণির ক্ষেত্রে পূর্বের ১ হাজার ২০০টি চাহিদা কমে ৮০০টিতে নেমে আসে—পার্থক্য ৪০০টি। অষ্টম শ্রেণির জন্য আগের ১ হাজার ২০০টি চাহিদা কমে দাঁড়ায় ৮০০টিতে—এখানেও পার্থক্য ৪০০টি। নবম শ্রেণির জন্য আগে দেখানো হয়েছিল ১ হাজার ২০০টি বই, যা পরে সংশোধিত হয়ে ৭৫০টিতে নেমে আসে—পার্থক্য ৪৫০টি। সব মিলিয়ে দাখিল স্তরে পূর্বে পাঠানো মোট চাহিদা ছিল ৫ হাজার, যা যাচাই শেষে কমে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২০০টিতে। ফলে এখানে ১ হাজার ৮০০টি বইয়ের অতিরিক্ত হিসাব চিহ্নিত হয়েছে।

এনসিটিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের তুলনায় ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রায় ১ কোটি বেশি বই ছাপার জন্য চাহিদাপত্র দেওয়া হয়েছে, যা সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতির গুরুত্ব ও সম্ভাব্য অনিয়মের মাত্রাকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme