বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বৈশাখী ভাতা সংক্রান্ত প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে এবং এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়াও শেষ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ইন্টিগ্রেটেড বাজেট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং সিস্টেম (আইবাস)-এ বৈশাখী ভাতার বিপরীতে ১৮১ কোটিরও বেশি টাকার বিল জমা দেওয়া হয়েছে। এবং মাউশি হতে গত সপ্তাহে জানানো হয়েছিল যে, সকল কার্যক্রম শেষে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীগণ তাদের বৈশাখাী ভাতা ব্যাংক একাউন্টে প্রবেশ করার মেসেজ পাবেন।
পূর্বের ধারাবিহকতায় আজ শনিবার ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও বিকাল ৩.৩৮ মিনিটে মাউশির ইএমআইএসসেলের প্রোগামার জনাব মোঃ জহির উদ্দিন সাহেবের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান যে, আগামীকাল রবিবার হতেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীগণ তাদের বৈশাখী ভাতা পাওয়া শুরু করবেন। সেক্ষেত্রে হয়ত সকল শিক্ষক কর্মচারীগণ একদিনে নাও পেতে পারেন কারও কারও ক্ষেত্রে এই সময়টা আগামী সোমবার অবধি লেগে যেতে পারে। তবে শিক্ষক কর্মচারীগণ অবশ্যেই বৈশাখের পূর্বেই তাদের বৈশাখাী ভাতা পেয়ে যাবেন।
গত সপ্তাহেই মাউশির পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) অধ্যাপক মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, বৈশাখী ভাতার প্রস্তাব অনুমোদনের পর দ্রুততার সঙ্গে বিল আইবাসে জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সোমবারের মধ্যেই (১৩ এপ্রিল) শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের প্রাপ্য উৎসব ভাতা পেয়ে যাবেন।
এদিকে জানা গেছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতার জন্য মোট ১৮১ কোটি ৩৬ লাখ ৫৬ হাজার ৩৮৮ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে স্কুল পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১২৯ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ২৭৬ টাকা এবং কলেজ পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫২ কোটি ৯ লাখ ৬২ হাজার ১১২ টাকা। এই অর্থ দ্রুত বিতরণের মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসবের আগে আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই সরকারের এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
Leave a Reply