বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান, সহকারী প্রধান, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপারসহ মোট ১২ হাজার ৯৫১টি পদে নিয়োগের জন্য ৫৩ হাজারেরও বেশি প্রার্থী আবেদন করেছেন। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী গত শনিবার আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা শেষ হয় এবং পরদিন রবিবার (৫ এপ্রিল) আবেদন ফি পরিশোধের সময়সীমাও শেষ হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মোট ৫৩ হাজার ৬৯ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। তবে আবেদনকারীদের মধ্যে অনেকেই একাধিক পদে আবেদন করেছেন, ফলে প্রকৃত আবেদনকারীর সংখ্যা এর চেয়ে কিছুটা কম হতে পারে।
এর আগে গত ২৫ মার্চ এনটিআরসিএ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের জন্য নতুন করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। পূর্বের বিজ্ঞপ্তি বাতিল করে এই সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য পদের সংখ্যা আগের তুলনায় ৬৪৮টি কমানো হয়েছে।
এই নিয়োগ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আগামী ১৮ এপ্রিল প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরীক্ষার মোট নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০। এর মধ্যে এমসিকিউ অংশে থাকবে ৮০ নম্বর, শিক্ষাগত সনদের ভিত্তিতে দেওয়া হবে ১২ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষার জন্য বরাদ্দ থাকবে ৮ নম্বর। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কেটে নেওয়া হবে। পাশাপাশি এমসিকিউ ও মৌখিক—উভয় পরীক্ষায় পৃথকভাবে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর অর্জন করতে হবে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য।
সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য পদের বিস্তারিত পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়েছে। এতে দেখা যায়, তিনটি অধিদফতরের অধীনে মোট ১২ হাজার ৯৫১টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে রয়েছে ৯ হাজার ৭০৮টি পদ, যেখানে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ অন্তর্ভুক্ত। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতরের অধীনে রয়েছে ৩ হাজার ১৩১টি পদ, যার মধ্যে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার পদ রয়েছে। এছাড়া কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের অধীনে রয়েছে ১১২টি পদ, যেখানে অধ্যক্ষ ও সুপার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।
Leave a Reply