মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর – মাউশি)-এর আওতাধীন সকল দপ্তরকে সরকার নির্ধারিত নতুন সময়সূচি কঠোরভাবে অনুসরণ করে পরিচালনার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, রোববার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এসব অফিস কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে এতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জরুরি সেবা বা বিশেষ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এই নির্ধারিত সময়সূচির আওতার বাইরে থাকবে এবং সেসব ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী আলাদা ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।
রোববার মাউশির পক্ষ থেকে জারি করা এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়। চিঠিটি শিক্ষাখাতের আওতাধীন সকল দপ্তরে পাঠানো হয়েছে, যাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে পারে।
এ বিষয়ে মাউশির এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, এই নির্দেশনা মূলত শিক্ষা প্রশাসনের অধীনে থাকা সব অফিসের জন্য প্রযোজ্য। এর মধ্যে উপপরিচালকের (ডিডি) কার্যালয়, জেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব প্রশাসনিক দপ্তর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অর্থাৎ শিক্ষা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি স্তরের অফিস এই নতুন সময়সূচির আওতায় পরিচালিত হবে।
এর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ঘোষণা দেয় যে, আগামী ৫ এপ্রিল থেকে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত নতুন সময়সূচি অনুযায়ী পরিচালিত হবে। এই সিদ্ধান্তটি সামগ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও সমন্বয় আনার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে।
এছাড়াও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক ৪ এপ্রিল জারি করা নির্দেশনার আলোকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সময়সূচিও নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী, অফিস কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে, তবে গ্রাহকসেবা বা ব্যাংকিং লেনদেন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে। এই সময়সূচি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, আদালতের অফিস সময়সূচি নির্ধারণের বিষয়ে দেশের সর্বোচ্চ বিচারিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট নিজস্বভাবে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।
বেসরকারি খাতের শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কল-কারখানা এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মঘণ্টা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুসরণ করতে হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
Leave a Reply