বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মার্চ মাসের বেতন প্রদানের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং এ সংক্রান্ত প্রস্তাব আজ মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। যদি কোনো কারণে আজ প্রস্তাব পাঠানো সম্ভব না হয়, তাহলে আগামীকাল বুধবারের মধ্যেই তা পাঠানো হবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-এর একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, দেশের প্রায় পৌনে চার লাখেরও বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর মার্চ মাসের বেতনের সারসংক্ষেপ ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এই সারসংক্ষেপটি এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেল থেকে মাউশির মহাপরিচালকের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এখন মহাপরিচালকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে এই নথি। অনুমোদন সম্পন্ন হলে সেটিকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবে রূপ দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
এ বিষয়ে মাউশির পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) প্রফেসর মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, মার্চ মাসের বেতনের প্রস্তাব আজই পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে যদি কোনো প্রশাসনিক বা কারিগরি কারণে আজ তা সম্ভব না হয়, তাহলে পরবর্তী কার্যদিবস অর্থাৎ বুধবারের মধ্যেই প্রস্তাব পাঠানো হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন প্রদানের পুরো প্রক্রিয়াটি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে সম্পন্ন হয়। প্রতি মাসে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা অনলাইনের মাধ্যমে বেতনের বিল দাখিল করেন। এরপর সেই বিলগুলো যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা তাদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানে স্বচ্ছতা ও দ্রুততা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিল দাখিল ও অনুমোদনের ব্যবস্থা চালু করেছে। এই আধুনিক পদ্ধতির ফলে বেতন প্রক্রিয়াকরণ আগের তুলনায় অনেক বেশি গতিশীল, নির্ভুল এবং জবাবদিহিমূলক হয়েছে।
Leave a Reply