এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মার্চ মাসের বেতন ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে পাঠাতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল সাবমিট না করলে বেতন প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে—এমন সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ইএমআইএস সেলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সকাল থেকেই অনলাইনে বিল সাবমিট করার অপশন চালু হয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা এখনই সিস্টেমে লগইন করে মার্চ মাসের বিল দাখিল করতে পারবেন। নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২৮ মার্চের মধ্যে সব বিল সাবমিট করতে হবে।
চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠান প্রধানের দেওয়া তথ্যই এমপিওর অর্থ ছাড়ের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। যদি কোনো উদ্দেশ্যমূলক ভুল তথ্যের কারণে কোনো শিক্ষক বা কর্মচারীর বেতন ইএফটির মাধ্যমে পাঠানো না হয়, তাহলে এর সম্পূর্ণ দায়ভার প্রতিষ্ঠান প্রধানকেই বহন করতে হবে। এছাড়া, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল সাবমিট না করা হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওর টাকা পাঠানো হবে না।
প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিল সাবমিট করার পর সেটির একটি কপি ডাউনলোড করে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির স্বাক্ষরসহ সংরক্ষণ করতে হবে। একই সঙ্গে, প্রতিটি শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য আলাদাভাবে সঠিক বেতন নির্ধারণ করে বিল দাখিল করতে হবে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি তাদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হচ্ছে। পরে আগস্ট মাস থেকে এই প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা আনতে মাসভিত্তিক বিল সাবমিটের অনলাইন ব্যবস্থা চালু করা হয়।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যদি কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী মৃত্যুবরণ করেন, পদত্যাগ করেন, সাময়িক বরখাস্ত থাকেন বা অনুমোদনহীনভাবে অনুপস্থিত থাকেন—তাহলে সংশ্লিষ্ট মাসে বিধি অনুযায়ী তার বেতন সমন্বয় করে বিল সাবমিট করতে হবে। প্রয়োজনে আংশিক বা পূর্ণ বেতন কর্তনের বিষয়টিও বিলে উল্লেখ করতে হবে।
সবশেষে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র আইবাস (iBAS) সিস্টেমে যাচাইকৃত বৈধ জনবলের তথ্যই বর্তমানে বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত আছে। যাদের তথ্য এখনো ত্রুটিপূর্ণ, তা সংশোধন ও যাচাই শেষে পরবর্তীতে সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
Leave a Reply