বাংলাদেশের সকল পেশাজীবিদের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়। হয়না শুধু এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ভাগ্যের তেমন কোন উন্নয়ন। এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা তাদের সাথে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অনিয়মের কথা যখন তাদের কর্তৃপক্ষের নিকট জানায় তখন সেই কর্তৃপক্ষ মুখের উপর বলে বসে আপনারা তো এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারী আপনাদের বিষয়গুলোতো এভাবেই চলবে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা ইএফটির মাধ্যমে বেতন ভাতা প্রদান ১ বছর পার হয়ে গেল কিন্তু আজ অবধি তাদের বেতন প্রদানের ভোগান্তি ইএফটি যুগের পূর্বে যেখানে ছিল এখনও সেখানে রয়ে গেছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা যখন এনালগ সিষ্টেমে প্রদান করা হত তখন নানা কাজের দোহাই দিয়ে তা বিলম্বে প্রদান করা হতো এবং আমরা তা কষ্ট হলেও মেনে নিতাম। কিন্তু এখন তো ইএফটির মাধ্যমে প্রদান করা হচ্ছে তাহলে এখনও কেন পূর্বের ন্যায় বিলম্ব হবে।
ইএফটি যখন ১ম মাসে চালু করা হলো সেই সময় যে ভোগান্তির জ্বালা এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের দেওয়া হয়েছে তা তো বলে বোঝানোর দরকার আছে বলে মনে হয় না। তখন বলা হয়েছিল যে, ধীরে ধীরে এই বিলম্ব থাকবে না। আমরাও অথ্যাৎ এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীও মাসের ১ থেকে ৩ তারিখের মধ্যে বেতন পেয়ে যাব।
যাই হোক এখন আসি বর্তমান প্রসংগ নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৬তারিখ শনিবার সন্ধ্যা ৫.৪৩ মিনিটে মাউশির ইএমআইএস সেলের প্রোগামার মোঃ জহির উদ্দিন সাহেবের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান যে, আগামী রবিবার ২৫ তারিখ হতে জানুয়ারী ২০২৬ মাসের বেতন বিল সাবমিট করা যাবে।
গত মাসে, ১৯ হাজার ৮২৫টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল-১৭ হাজার ২০৩ ও কলেজ-২ হাজার ৬২২) মোট ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৬৮৯ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত। ফলে ডিসেম্বর মাসের ১ম ধাপে স্কুলের ৩ লাখ ১২২২ জন শিক্ষক-কর্মচারীর ও কলেজের ৮৮ হাজার ৩৪ জন শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মূল বেতন, বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, বিশেষ সুবিধা।
পরিশেষে যে বিষয়টি বলতে চাই তা হলো? এভাবে প্রতিমাসে নানাবিধ জটিলতা? কিন্তু এভাবে আর কতদিন?
Leave a Reply