বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা–২০২৫ প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। নতুন নীতিমালায় শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের সরকারি অংশ (এমপিও) পেতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থী থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর মান, টেকসই পরিচালনা এবং শিক্ষার্থী উপস্থিতি নিশ্চিত করার লক্ষ্য ধরা হয়েছে। নীতিমালায় আরও জানানো হয়েছে, চাকরির ১০ বছর পূর্ণ হলে সহকারী শিক্ষকরা ‘সিনিয়র শিক্ষক’ হিসেবে পদোন্নতি পাবেন—যদি তারা নিয়োগের সময়কার প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ করে থাকেন।
তবে গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। এই পদে যারা কর্মরত, তারা যদিও উচ্চতর গ্রেডের আর্থিক সুবিধা পাবেন, তবে সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পাবেন না। অর্থাৎ পদোন্নতির ক্ষেত্রে তাদের জন্য বিশেষ বিধান রাখা হয়নি, কিন্তু আর্থিক সুবিধা আগের মতোই প্রযোজ্য থাকবে।
নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে—বেতন-ভাতার সরকারি অংশ পাওয়ার ক্ষেত্রে জনসংখ্যা-নির্ভর মান নির্ধারণ করা হয়েছে। যেমন, নিম্ন মাধ্যমিকে শহর এলাকায় কমপক্ষে ১২০ জন এবং মফস্বলে ৯০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। মাধ্যমিক পর্যায়ে শহরে ২০০ জন এবং মফস্বলে ১৫০ জন শিক্ষার্থী থাকা বাধ্যতামূলক। উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে শহরে ২৫০–৩৯০ জন এবং মফস্বলে ১৯০ জনের মতো শিক্ষার্থী থাকতে হবে। একইভাবে কলেজ পর্যায়ে—উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ, স্নাতক (পাস), স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে—শহর ও মফস্বলভেদে পৃথক শিক্ষার্থীসংখ্যার মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানভেদে ভিন্ন হতে পারে।
অন্যদিকে, সহকারী শিক্ষকরা এমপিওভুক্তির পর ১০ম গ্রেডে ধারাবাহিকভাবে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা অর্জন করলে পদোন্নতির যোগ্য হবেন। পদোন্নতির পর তাদের বেতন স্কেল হবে গ্রেড-৯ (২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা)। তবে গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান বিষয়ে যারা আছেন, তাদের ক্ষেত্রে পদোন্নতির সুযোগ না থাকলেও উচ্চতর গ্রেডের আর্থিক সুবিধা বহাল থাকবে।
আরও বিস্তারিত দেখতে নিচের তালিকা দেখুন……………….



Leave a Reply