1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

সারাদেশে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ১১৭২ জন জাল সনদধারী শিক্ষক সনাক্ত দেখুন কোন বিভাগে কতজন

  • Update Time : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৬২১ Time View
সারাদেশে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ১১৭২ জন জাল সনদধারী শিক্ষক সনাক্ত দেখুন কোন বিভাগে কতজন

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে জাল সনদধারীদের ব্যাপক নেটওয়ার্কের আরও নতুন তথ্য পেয়েছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে প্রায় ১২০০ জনের মতো জাল সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারী শনাক্ত হয়েছে। ডিআইএ সূত্র বলছে, এর মধ্যে ৪০০ জনের একটি নির্দিষ্ট তালিকা শিগগিরই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধও করা হয়েছে।

ডিআইএর সামগ্রিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট ১,১৭২ জন জাল সনদধারী নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৪০০ জনের সনদ সম্পূর্ণ জাল, আর ৩০০ জনের সনদকে অগ্রহণযোগ্য বলা হয়েছে। এরা এমপিওভুক্ত হয়ে দীর্ঘদিন বেতন-ভাতা নিয়েছেন। ফলে প্রায় ২৫৩ কোটি টাকা সরকারি অর্থ অপচয় হয়েছে, যা সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে ফেরত আনার সুপারিশ করেছে ডিআইএ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাল সনদের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি রাজশাহী বিভাগ, যেখানে এককভাবে ৭৭৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীর সনদ জাল প্রমাণিত হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন থেকে ১২০ জন, ঢাকা বিভাগে ৭০ জন, খুলনা বিভাগে ১৭৯ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ২৪ জনের জাল সনদ শনাক্ত করা হয়েছে। এসব জালিয়াতরা মূলত এনটিআরসিএর নিবন্ধন সনদ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, রয়েল ও দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ, এবং বিভিন্ন কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদ জাল করে চাকরি নিয়েছিলেন।

ডিআইএর পরিচালক এম এম সহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত হচ্ছে এবং খুব শিগগিরই তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

শুধু সনদ জালিয়াতি নয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ রক্ষায়ও গভীর সংকট দেখা দিয়েছে। ডিআইএ জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭৯৩ একর জমি বেহাত হয়েছে। এসব জমি উদ্ধারে সুপারিশ করা হবে। পাশাপাশি ভুয়া নিয়োগ, অর্থ আত্মসাৎ, ভ্যাট-আইটির হিসাব গরমিলসহ নানা আর্থিক অনিয়ম চিহ্নিত করায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হবে।

এদিকে ডিআইএ একটি কঠোর সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, পরিদর্শন ও নিরীক্ষার নামে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। প্রতিটি পরিদর্শন বা তদন্ত দলকে কেন্দ্রীয়ভাবে ভার্চুয়াল মনিটরিং করা হয়, এবং তাদের পরিচয়, পদবি ও ফোন নম্বর অফিস আদেশে স্পষ্ট থাকে। তাই অফিসিয়াল আদেশ ছাড়া কেউ পরিদর্শনের নামে কোনো অর্থ দাবি করলে তা ডিআইএ-কে লিখিতভাবে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।

সর্বোপরি, প্রতিবেদনটি শিক্ষা ব্যবস্থার জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সংকটকে সামনে এনেছে। জাল সনদধারী এবং আর্থিক অনিয়মসহ বহু দুর্নীতি চিহ্নিত হওয়ায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্রুত ব্যবস্থা নেবে—এমন প্রত্যাশা করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme