1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

অবশেষে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা শতকরা হারে বাড়িভাড়ার প্রথম কিস্তির টাকা পেতে চলেছে

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৬৪ Time View
অবশেষে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা শতকরা হারে বাড়িভাড়ার প্রথম কিস্তির টাকা পেতে চলেছে

দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক–কর্মচারীদের জন্য বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন অবশেষে দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক–কর্মচারীরা অভিযোগ করে আসছিলেন যে জীবনযাত্রার ব্যয়, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে বাসাভাড়ার ক্রমবর্ধমান চাপ মোকাবিলায় তাদের বর্তমান বাড়িভাড়া ভাতা অত্যন্ত অপ্রতুল। এই বাস্তবতা এবং আন্দোলনের চাপ বিবেচনায় সরকার বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ১৫ শতাংশে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছিল। এখন সেই ঘোষণার বাস্তবায়ন ধীরে ধীরে কর্মপরিকল্পনায় প্রবেশ করছে।

সংশ্লিষ্ট দপ্তর জানিয়েছে, বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধিটি একবারে নয়, বরং দুটি অর্থবছরে ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে। প্রথম ধাপে বর্তমান অর্থবছরেই ৭.৫ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতা কার্যকর করা হয়েছে, যার প্রতিফলন ইতোমধ্যেই ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) সার্ভারে দেখা যাচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কারিগরি দপ্তরগুলো নতুন এই শতাংশকে ইএফটি সিস্টেমে যুক্ত করার কাজ সম্পন্ন করেছে। ফলে নভেম্বর মাস থেকেই নতুন ভাতার অর্থ শিক্ষক–কর্মচারীরা পাচ্ছেন, যা তাদের আয় কাঠামোতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। দ্বিতীয় ধাপে আগামী অর্থবছরে বাকি ৭.৫ শতাংশ যুক্ত হবে, তখনই পূর্ণ ১৫ শতাংশ ভাতা তারা বাস্তবে পাবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে প্রথমে বাড়িভাড়া ভাতা মাত্র ৫ শতাংশ বৃদ্ধি (ন্যূনতম ২ হাজার টাকা) করার একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শিক্ষক–কর্মচারীদের মতে, বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় এ বৃদ্ধি ছিল দায়সারা এবং মৌলিক ব্যয় মোকাবিলায় কোনো কার্যকর সমাধান নয়। এই প্রস্তাবকে তারা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে বাড়িভাড়া কয়েক বছরে দফায় দফায় বেড়েছে, কিন্তু এমপিওভুক্তদের ভাতা বাড়েনি। ফলে তাদের জীবনযাত্রার বৈষম্য আরও বাড়ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

এই অসন্তোষ থেকেই ১২ অক্টোবর থেকে শিক্ষক–কর্মচারীরা তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামে: (১) বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধি, (২) চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি, এবং (৩) বকেয়া সুবিধা সমন্বয়। তারা কর্মবিরতি, মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচিসহ আরও নানা প্রতিবাদে অংশ নেন। আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রভাব পড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও। আন্দোলনের তীব্রতা বিবেচনায় সরকার শেষ পর্যন্ত তাদের মূল দাবির প্রতি ইতিবাচক সাড়া দিতে বাধ্য হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, শিক্ষক–কর্মচারীদের চাপ ও ধারাবাহিক আন্দোলনই বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে বাস্তবায়নের দিকে ত্বরান্বিত করেছে।

এখন ইএফটি সার্ভারে ৭.৫ শতাংশ ভাতা সংযুক্ত হওয়া—যা আর্থিক বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ—সরকারি সিদ্ধান্ত যে কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না তা স্পষ্ট করে। শিক্ষক–কর্মচারীদের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে জানাচ্ছেন যে নতুন ভাতা তাদের মাসিক ব্যয়ে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে। যদিও পূর্ণ ১৫ শতাংশ ভাতা কার্যকর হতে আগামী অর্থবছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে, তারপরও এই প্রাথমিক অগ্রগতি তাদের আন্দোলনের সফলতার একটি বড় নির্দেশক।

সামগ্রিকভাবে দেখা যায়, এমপিওভুক্ত শিক্ষক–কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের আর্থিক চাপ, বেতন–ভাতার বৈষম্য এবং প্রশাসনিক উদাসীনতার বিরুদ্ধে তাদের ধারাবাহিক আন্দোলন অবশেষে বাস্তবমুখী ফল এনে দিতে শুরু করেছে। এখন শুধু অপেক্ষা—পরবর্তী অর্থবছরে পূর্ণ ১৫ শতাংশ ভাতা যুক্ত হয়ে তাদের আর্থিক সুবিধা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হওয়ার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme