টেকসই শিক্ষার মানোন্নয়নে মেধাবীদের শিক্ষকতা পেশায় আকৃষ্ট করতে শিক্ষকদের জন্য আলাদা ও মর্যাদাপূর্ণ বেতন কাঠামো গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে সরকারি কলেজ শিক্ষক সমিতি। সংগঠনটির নেতারা পে কমিশনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে এই প্রস্তাবনা আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেন। তাদের মতে, শিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হলে শিক্ষকদের আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
লিখিত প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান বেতন কাঠামোতে বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে গ্রেড ভেঙে ১৫টি করার পাশাপাশি সর্বনিম্ন বেতন ৩২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধি, দুইটি উৎসব ভাতা মূল বেতনের সমপরিমাণ করা এবং বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বর্তমান ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার দাবিও জানানো হয়েছে।
এছাড়া, চিকিৎসা ভাতা মূল বেতনের ১০ শতাংশ অথবা ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাবে আরও উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘ কর্মজীবনের পর অবসরে গিয়ে যাতে শিক্ষকরা আর্থিকভাবে নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন, সে জন্য পেনশন সুবিধা বিদ্যমান ৯০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০০ শতাংশে উন্নীত করা প্রয়োজন।
সমিতির নেতারা জানান, শিক্ষা খাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষকদের জন্য এমন একটি বেতন কাঠামো প্রণয়ন জরুরি, যা মেধাবীদের এই পেশায় আসতে উৎসাহিত করবে এবং বিদ্যমান শিক্ষকদের মনোবল আরও বৃদ্ধি করবে।
Leave a Reply