1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
Title :
জুলাই-২০২৬ মাসের বিল সাবমিট করেনি যে সকল এমপিও প্রতিষ্ঠান তাদের করণীয় প্রবাসীদের জন্য যে জরুরী ১০ নির্দেশনা জারি করল সরকার স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের পে স্কেলের ইতিহাস আইএমএফের সাথে পে স্কেল বিষয়ে কি সম্পর্ক জানাল অর্থমন্ত্রী পে স্কেলের বর্তমান অগ্রগতি বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর যা জানাল দেশের সকল জেলা শিক্ষা অফিসারদের যে জরুরি নির্দেশনা দিল মাউশি যে কারণে এসএসসি ফল প্রকাশে দেরি প্রতিটি প্রতিষ্ঠান হতে কতজন শিক্ষক বদলি পার্সওয়ার্ড পাবে জানাল মাউশি পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রীসভায় যাচ্ছে যেদিন জানাল অর্থমন্ত্রী যে ৩ এলাকার বাহিরে বদলি হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা জানাল মাউশি

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের পে স্কেলের ইতিহাস

  • Update Time : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬
  • ৫২ Time View

বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পে স্কেল ঘোষণা করা হয় ১৯৭৩ সালে। মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তান আমলের বেতন কাঠামো বাতিল করে নতুন রাষ্ট্রের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৎকালীন সরকার নতুন বেতন ব্যবস্থা চালু করে।

প্রথম পে স্কেল (১৯৭৩)

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পে স্কেলে মোট ১০টি গ্রেড নির্ধারণ করা হয়।

  • সর্বনিম্ন মূল বেতন ছিল ১৩০ টাকা।
  • সর্বোচ্চ মূল বেতন ছিল ২ হাজার টাকা।

যদিও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে এই পে স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।

দ্বিতীয় পে স্কেল (১৯৭৭)

চার বছর পর ১৯৭৭ সালে দ্বিতীয় জাতীয় পে স্কেল ঘোষণা করা হয়।

এই পে স্কেলের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ছিল—

  • গ্রেড সংখ্যা ১০ থেকে বাড়িয়ে ২১টি করা হয়।
  • সর্বনিম্ন মূল বেতন নির্ধারণ করা হয় ২২৫ টাকা।
  • সর্বোচ্চ মূল বেতন নির্ধারণ করা হয় ৩ হাজার টাকা।

ফলে—

  • সর্বনিম্ন গ্রেডের বেতন প্রায় ৭৩ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।
  • সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতন বৃদ্ধি পায় প্রায় ৫০ শতাংশ।

তৃতীয় পে স্কেল (১৯৮৫)

১৯৮৫ সালে ঘোষিত তৃতীয় পে স্কেল ছিল অন্যতম বড় বেতন বৃদ্ধি।

এই পে স্কেলে—

  • সর্বনিম্ন মূল বেতন ১২২ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫০০ টাকায় উন্নীত হয়।
  • সর্বোচ্চ মূল বেতন শতভাগ বৃদ্ধি পেয়ে ৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম সর্বোচ্চ বেতন বৃদ্ধির একটি উদাহরণ।

চতুর্থ পে স্কেল (১৯৯১)

১৯৯১ সালে নতুন সরকার চতুর্থ পে স্কেল কার্যকর করে।

এ সময়—

  • সর্বনিম্ন মূল বেতন ৯০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
  • যা আগের তুলনায় প্রায় ৮০ শতাংশ বেশি।
  • সর্বোচ্চ মূল বেতন প্রায় ৬৭ শতাংশ বৃদ্ধি করে ১০ হাজার টাকা করা হয়।

পঞ্চম পে স্কেল (১৯৯৭)

১৯৯৭ সালে পঞ্চম জাতীয় পে স্কেল ঘোষণা করা হয়।

এতে—

  • সর্বনিম্ন মূল বেতন ১ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
  • যা আগের তুলনায় প্রায় ৬৭ শতাংশ বেশি।
  • সর্বোচ্চ মূল বেতন ১৫ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়।
  • সর্বোচ্চ গ্রেডে বেতন বৃদ্ধি ছিল প্রায় ৫০ শতাংশ।

ষষ্ঠ পে স্কেল (২০০৫)

২০০৫ সালে ষষ্ঠ জাতীয় পে স্কেল কার্যকর হয়।

এই পে স্কেলে—

  • সর্বনিম্ন মূল বেতন নির্ধারণ করা হয় ২ হাজার ৪০০ টাকা।
  • সর্বোচ্চ মূল বেতন হয় ২৩ হাজার টাকা।

বেতন বৃদ্ধির হার ছিল—

  • সর্বনিম্ন গ্রেডে প্রায় ৬০ শতাংশ।
  • সর্বোচ্চ গ্রেডে প্রায় ৫৩ শতাংশ।

সপ্তম পে স্কেল (২০০৯)

২০০৯ সালে ঘোষিত সপ্তম পে স্কেলে আবারও উল্লেখযোগ্য বেতন বৃদ্ধি করা হয়।

এতে—

  • সর্বনিম্ন মূল বেতন বাড়িয়ে ৪ হাজার ১০০ টাকা করা হয়।
  • সর্বোচ্চ মূল বেতন নির্ধারণ করা হয় ৪০ হাজার টাকা।

অষ্টম পে স্কেল (২০১৫)

বাংলাদেশে বর্তমানে কার্যকর অষ্টম জাতীয় পে স্কেল ঘোষণা করা হয় ২০১৫ সালে।

এই পে স্কেলে—

  • সর্বনিম্ন মূল বেতন ১০১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৮ হাজার ২৫০ টাকায় উন্নীত হয়।
  • সর্বোচ্চ মূল বেতন ৯৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৭৮ হাজার টাকায় নির্ধারিত হয়।

এটি এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সর্বশেষ কার্যকর জাতীয় বেতন কাঠামো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme