লম্বা সময় ধরে আলোচনায় থাকা নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নকে ঘিরে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছিল—এটি কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ঋণ প্রাপ্তি বা ঋণ কর্মসূচির ওপর কোনো ধরনের প্রভাব পড়বে কি না। বিভিন্ন মহলে এ নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা ও জল্পনা থাকলেও সরকার বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছে।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী বলেছেন, নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সঙ্গে আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির কোনো সম্পর্ক নেই। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সরকারের নিজস্ব নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়। ফলে আইএমএফের ঋণ পাওয়া বা ঋণের শর্তের কারণে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে কোনো বাধা বা জটিলতা সৃষ্টি হবে না।
তিনি আরও জানান, নবম জাতীয় বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন সম্পন্ন হওয়ার পরই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে এবং সেটি প্রকাশে অযথা বিলম্ব করা হবে না। অর্থাৎ প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের পরবর্তী ধাপ শুরু হবে।
এদিকে সরকারের এই বক্তব্যের পর সরকারি চাকরিজীবীদের নজর এখন পুরোপুরি মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে। কারণ, মন্ত্রিসভা প্রস্তাবটি অনুমোদন করলেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নবম জাতীয় পে স্কেলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। এরপর সরকারি গেজেট বা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের মাধ্যমে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পাওয়ার পথ সুগম হবে।
Leave a Reply