এদেশের অনেক গুলো চিরসত্য বিষয় রয়েছে, যেমনটা প্রত্যেক দেশে তথা পৃথিবীতে রয়েছে। সূর্য পূর্ব দিকে উঠে, আর পশ্চিম দিকে অস্ত যায়। এরকম বিষয়গুলি তেমনি আরও কতগুলি বিষয় আছে তার মধ্যে একটি হলো এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদান। আপনি যতই প্রযুক্তি ব্যবহার করেন না কেন, সেটা যত আধুনিক হউক না কেন? মাউশি কোন না কোন বাহানায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা সময়মতো প্রদান করবে না।
আরও পড়ুন…..শ্রম উপদেষ্টা ব্যবস্থা নেয় আর শিক্ষা উপদেষ্টা চেয়ে চেয়ে দেখে।
এখানে সবচেয়ে দুঃখের বিষয় কি জানেন আমাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিন্তু বিষয়গুলো সমন্ধে যে অজানা তা কিন্তু নয়। কিন্তু তারা পূর্বেও এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি এখন করবেনা বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদি তাই না হবে তাহলে এত বড় অনিয়ম করার পরও মাউশির কোন কর্মকর্তা কর্মচারীদের কোন প্রকার শাস্তি মুলক ব্যবস্থা দুরের কথা কোন জবাবদিহিতার আওতায় নেওয়া হয়েছে বলে কখনও শুনেছেন।
বাংলাদেশের আনাচে কানাচে সকল মানুষের জানা, মোটা অনেক মিডিয়ার লোকজনের জানা আর তাদের এই জানাটা কিন্তু মাউশির নাম প্রকাশ না করার শর্তে কোন কর্মচারীর নিকট থেকে যে, মাউশির কতিপয় কিছু কর্মকর্তা শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সুদ বাণিজ্য করে। শুধু জানেনা শিক্ষা মন্ত্রণালয় নাকি জেনেও না জানার ভান করে বসে থাকে।
যাক অভিযোগ অনুযোগ অনেক হলো বা করেই বা লাভ কি বলেন কোন উন্নতি তো হবে না। আবার আগামী ঈদে দেখবেন ঐ একই অবস্থা হবে। মাউশি থেকে বলবে আমরা দিন রাত কাজ করছি, চেষ্টা করছি এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধ করার জন্য এবং যাতে পূর্বের ন্যায় অবস্থা না হয়। কিন্তু সময় শেষে দেখা যাবে যে লাউ সেই কদু।
সর্বশেষ ফেব্রুয়ারী বেতন ও উৎসব ভাতা নিয়ে সর্বশেষ যা জানা গেল বা আশা করা যাচ্ছে তা হলো আগামীকাল হয়তবা সকল শিক্ষক কর্মচারীর নিজ নিজ ব্যাংক হিসাব নম্বরে টাকা পৌছাবে। তবে তা উত্তোলন ঈদের পূর্বে করা যাবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান।
মাউশি জানিয়েছে, শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। শিক্ষকদের তথ্যগত ভুলের কারণে বেতনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে তাদের চেষ্টার কোনো কমতি ছিল না। আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মধ্যে সব শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন ব্যাংকে পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
মাউশির চেষ্টা
এই হলো আমাদের ঈদ বা উৎসব ভাগ্য। সকল পেশার সকল মানুষের ভাগ্য দিন দিন পরিবর্তন হয়, হয়না শুধু এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন। কারণ এটার জন্য অনেকটা আমরা নিজেরাও দায়ী।
সর্বশেষে যা বলব তা হলো আগামীকাল ফেব্রুয়ারীর বেতন ও ঈদুল ফিতরের ২৫% উৎসব ভাতা সযত্নে মাউশি আপনাদের একাউন্টে পৌছে দিবে এখন আপনার ভাগ্য যদি সহায় হয় তাহলে হাতে পাবেন না হলে পাবেন না ঈদের আগে।
Leave a Reply