‘স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ উৎসব ভাতা এবং বেতনের সব কাজ শেষ করা হয়েছে। বাকি কাজ ব্যাংকের। ব্যাংকের বিষয়টি আমাদের হাতে নেই। আশা করছি বৃহস্পতিবারের মধ্যে শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন-ভাতার অর্থ তুলতে পারবেন।’
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) বিকেলে গণ মাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আজাদ খান।
কিন্তু প্রশ্ন হলো বৃহস্পতিবার যদি আইবাস++ টাকা সেন্ড করা শুরু করেও তারপরেও ব্যাংক একাউন্টে টাকা পৌছাতে পৌছাতে কিন্তু বিকাল। তাহলে বিকালে শিক্ষক কর্মচারীরা ব্যাংক থেকে টাকা কিভাবে উত্তোলন করবে। মাউশির কর্মকর্তা কর্মচারীরা তো চড়া গলায় বলবে দিনরাত পরিশ্রম করে আমরা শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রদান করেছি। বাস্তবতা হলো শিক্ষক কর্মচারীরা তো ঈদের আগে টাকাতো উত্তোলন করতে পারবে না।
আরও পড়ুন…..রক্ষক যদি ভক্ষক হয় তাহলে কিন্তু বড় সমস্যা।
মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা ঈদের আগে মার্চের বেতন পাচ্ছেন, অথচ স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা এখনো ফেব্রুয়ারির বেতন পাননি। বেতন নিয়ে বিড়ম্বনা কবে কমবে—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আজাদ খান বলেন, ‘চার লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন অনলাইনে দেওয়া খুব সহজ বিষয় না। অনেকের তথ্যগত ভুল রয়েছে। তবুও মানবিক বিবেচনায় তাদের বেতন দেওয়া হচ্ছে। নতুন একটি বিষয় বাস্তবায়ন করতে নানা সমস্যা হয়। সব সমস্যা সমাধান করে বেতন দেওয়ার কাজ চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আমাদের কাজ শেষ করেছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদনও দিয়েছে। বাকি কাজ অর্থ মন্ত্রণালয় এবং ব্যাংকের। তাদের বিষয়গুলো নিয়ে আমরা বক্তব্য দিতে পারি না। কবে ব্যাংকে টাকা পাঠানো হবে সেটি চিফ অ্যাকাউন্টস অফিস ভালো বলতে পারবে।’
পরিশেষে যে বিষয়টা বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে তা হলো বেতন ও বোনাসের মেসেজ আগামীকাল পাওয়া যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। তবে বেতন ও উৎসব ভাতা আগামীকাল একাউন্ট থেকে উঠানোর সময় পাওয়া যাবে কিনা তা বলা যাচ্ছে না। হয়ত বা কেউ কেউ উঠাতে পারবেন কেউ কেউ পারবেন না। যাদের এটিএম কার্ড একটিভ রয়েছে তারা হয়তবা টাকা উঠাতে পারবেন।
Leave a Reply