1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন

মাউশি ডিজির ঈদ সংযম নাকি ঈদ উপহাস?

  • Update Time : সোমবার, ৩১ মার্চ, ২০২৫
  • ৩১৯ Time View
মাউশি ডিজির ঈদ সংযম নাকি ঈদ উপহাস?

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মাউশি মহাপরিচালক হিসেবে পদায়ন পেয়েছেন অধ্যাপক ড. আজাদ খান। তিনি জামালপুরের আশেক মাহমুদ কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক। বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের ১৪তম ব্যাচের এ কর্মকর্তা মাউশির দায়িত্ব নেওয়ার পর নানা কাজে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। মাউশিকে দুর্নীতি মুক্ত করতে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু এখনও কতটুকু দায়িত্ব পালন করতে পেরেছেন তা নিয়ে প্রশ্ন করাই যায়।

ঈদুল ফিতরের আগে রোজা রাখা এবং নামাজ পড়াটা ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। ঈদের নামাজে আব্বা, চাচা, চাচাতো ভাইদের সাথে ঈদগাহে যাওয়া হতো। আব্বা সাধারণত ফিতরা দিতেন ঈদের দিন ফজরের নামাজের পর। যাকে দিবেন তিনি তার বাড়িতে চলে যেতেন। চাল বা গম ফিতরা হিসেবে দেয়া আব্বার রীতি ছিল। এগুলো মনে পড়ে এবং অনুসরণ করি।

আরও পড়ুন……এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আজকের পরিস্থিতির জন্য দায়ী কারা?

তিনি পারিবারিক রীতিনীতি কথা উল্লেখ করেছেন ভাল কথা তাহলে কি তিনি পারিবারিক ভাবে এই রীতি মানার শিক্ষা অর্জন করতে পারেননি যে পেশাগত দাযিত্ব কিভাবে পালন করতে হয়। নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য দায়সার ভাবে পালন করা কতটা যুক্তিযুক্ত। তার নিজের কাছে ঈদের আনন্দ যেমন একটা পারিবারিক সাংস্কৃতির আবহে গড়ে উঠে তেমনি লক্ষ লক্ষ এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরতো পরিবার আছে। তাদেরও তো পারিবারিক দায়িত্ব পালন করতে হয়।

তিনি স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেছেন যে, খুবই সাধারণ মুসলিম পরিবারের  সন্তান হিসেবে আব্বার সামর্থ্য অনুযায়ী আমাদের সাত ভাইবোনকে ঈদে কাপড়চোপড় কিনে দিতেন আব্বা। সাংসারিক টানাপোড়েন আর আব্বার সংযমী আচরণের কারণে এক ঈদে আমার নতুন জামা কেনা হয়নি। সেটা আজও পর্যন্ত কাউকে না বললেও সংযম ও সততার শিক্ষাটা গ্রহণ করেছিলাম শৈশবেই।

তিনি হয়ত এই সংযমের শিক্ষা এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের উদ্দেশ্য করেই বলেছেন যে, আমাদের আরও সংযমী হতে হবে আরও অপেক্ষা করতে হবে। তার নিকট বিনীত ভাবে জানতে চাইছি আর কত সংযমী হতে হবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের যাতে করে তার নিকট সংযমী মনে হয়। কই তিনি তো বলেননি যে আমার আওতাভুক্ত সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীর বেতন বোনাস না হওয়া অবধি আমি বেতন বোনাস গ্রহণ করব না। তাহলে না বলা যেত তিনি কতটা আন্তরিক। তার চলমান বেতন, অগ্রিম বেতন, উৎসব ভাতা ও বৈশাখী ভাতা গ্রহণ করে আমোদের বলছেন সংযমী হতে। এটা কি হাস্যকর নাকি উপহাস সেটাই বুঝতে পারছি না।

তিনি যদি এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীর প্রতি এত আন্তরিক হতেন তাহলে কি তার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কর্মচারীর অবহেলার কারণে আমাদের বেতন ও উৎসব ভাতা প্রদানের এমন গড়িমসি হতে পারে। তিনি যদি এতই আন্তরিক হতেন তাহলে নিশ্চয়ই এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ভাতা নিয়ে আলোচনায় দরকষাকষি করতে পারতেন না। তার তো উচিত ছিল আমাদের অভিভাবক হিসেবে আমাদের স্বার্থ কিভাবে সংরক্ষিত হয় সেই বিষয়ে কথা বলা তা না বলে তিনি তো আমাদের স্বার্থ বিরোধী কথা বলেছেন।

এর পরও কি করে তিনি বলতে পারেন যে, আমাদের সংযমী হতে হবে। তার এই উপদেশ অনেকটা উপহাসের মতোই শুনায়না কি?

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme